দিনাজপুরে জামায়াত শিবিরের হামলা ৪০টি গাড়ি ভাংচুর

আপডেট : ২০ মার্চ ২০১৩, ২২:২৭
দিনাজপুর জেলা জামায়াতের সংগঠক সাজ্জাদ হোসেনকে পুলিশ নাশকতা ও সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে গ্রেফতার করার পর জামায়াত-শিবির নেতা কর্মীরা দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের একাধিক স্থানে কমপক্ষে ৪০টি যানবাহন ভাংচুর করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, র্যাব এবং বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। দিনাজপুরের পুলিশ সুপার দেবদাশ ভট্টাচার্য জানান, গতকাল বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় ঘোড়াঘাট উপজেলার ওসমানপুর এলাকা থেকে জেলা জামায়াতের সংগঠক প্রভাষক সাজ্জাদ হোসেন (৩৫) ও তার সহযোগী জামায়াতের রোকন লাল মিয়া (৪০) কে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনার পর দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের ঘোড়াঘাট উপজেলার রানীগঞ্জ বাজারে জামায়াত-শিবিরের শত শত নেতাকর্মী লোহার রড, লাঠিসহ রাস্তায় বেরিকেড দিয়ে যানবাহন ভাংচুর শুরু করে। ওই স্থানে ঢাকাগামী কোচসহ ২৫টি যানবাহন ভাংচুর করে এবং টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করার চেষ্টা করে। এ সময় যানবাহন নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া থেকে ডুগডুগি হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ডুগডুগি বাজার, বলাহার বাজার এবং ওসমানপুর বাজারে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা কমপক্ষে ১৫টি যানবাহন ভাংচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফুলবাড়ী ৪০ বিজিবি তলব করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ঘটনাস্থলে বিজিবি ও র্যাব সদস্যদের টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই ঘটনায় কোচ ও যাত্রীবাহী বাসের প্রায় শতাধিক যাত্রী এবং পথচারী আহত হয়। ২৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা রংপুর প্রতিনিধি: হরতাল চলাকালে সরকারি কাজে বাধাদান, পুলিশের উপর হামলা, যানবাহন ভাংচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে রংপুরে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ২৪ নেতার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২’শ ৫০ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রংপুর কোতোয়ালী থানায় এই মামলা দায়ের করেন এসআই সেলিম রহমান। মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও জেলা সভাপতি রইচ আহমেদ, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা সম্পাদক আনিছুর রহমান লাকু, জেলা যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আলমগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক শামছুল হক ঝন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মতিয়ার রহমান বাবু প্রমুখ।