তানোরে আদিবাসী পল্লী শিক্ষার আলোয় আলোকিত হচ্ছে

আপডেট : ২১ মার্চ ২০১৩, ২১:৪৬
অবহেলিত বরেন্দ্র অঞ্চল খ্যাত তানোরের আদিবাসী ছেলে-মেয়েরা শিক্ষার আলোয় আলোকিত হচ্ছে। ফলে আদিবাসী পল্লীতে পরিবর্তনের সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। নানা কুসংস্কার দুরে ঠেলে আদিবাসীদের মধ্যে সচেতনতার সৃষ্টি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে তানোর উপজেলার সকল আদিবাসী পল্লীর অধিকাংশ পরিবারের শিশুরা স্কুলে যাচ্ছে। অনেক ছেলে-মেয়ে ইতিমধ্যে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়ছে। অনেকে ডিগ্রীতে পড়ছে। তানোর পৌরসভার মথুরাপুর আদিবাসী পল্লীর লক্ষ্মী, মেঘনা, রিতা; উপজেলার কচুয়া আদিবাসী পল্লীর সঞ্জিত, সীমা, অজয়; মোহর আদিবাসী পল্লীর দুর্জয়, মলয়সহ বিভিন্ন পল্লীর প্রায় পাঁচ হাজার ছেলে-মেয়ে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়ছে। এছাড়া রত্না, বাসনা, নিতাইসহ অনেকে কলেজে পড়ছে। অথচ ২০ বছর আগে পাড়ায় ম্যাট্রিক (এসএসসি) পাশ কোনো ছেলে-মেয়ে ছিল না। বর্তমানে পাড়ার ২০ জন ছেলে-মেয়ে ম্যাট্রিক ও আইএ (এইচএসসি) পাশের পর ডিগ্রী পড়ছে। মোহর আদিবাসী পল্লীর ঝিনাই টুডু বলেন, পাড়ার শিক্ষিত আদিবাসী সন্তানরা সমাজকে বদলে দিতে মাঠে নেমেছে। এখন সন্ধ্যার পর প্রতিটি আদিবাসী পাড়ায় ছেলে-মেয়েদের পড়তে শোনা যায়। অথচ ৫ বছর আগেও এসব আদিবাসী পল্লীর পরিবেশ ছিল অন্যরকম। অর্থাত্ সন্ধ্যা হলেই পাড়ার সমস্ত যুবক শ্রেণী এমনকি উঠতি ছেলে-মেয়েরাও নেশার ঘোরে যেখানে সেখানে পড়ে থাকতো।