নীলফামারীতে বিদ্যুতের খেয়ালিপনা বোরো ক্ষেত ফেটে চৌচির

আপডেট : ২১ মার্চ ২০১৩, ২১:৪৮
গোটা নীলফামারী জেলায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টাই বিদ্যুত্ থাকছে না। বিদ্যুতের এই খাম-খেয়ালিপনায় ক্ষুদ্র শিল্প কল-কারখানার মালিক ও রবি মৌসুমের সেচনির্ভর বোরো চাষিদের নাভিশ্বাস উঠেছে। বিদ্যুতের এই ছল-চাতুরিতে কল-কারখানা ও বোরো চাষে স্থবিরতায় চরম খাদ্যাভাবের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। নীলফামারী জেলার ৬টি উপজেলায় প্রায় সহস্রাধিক বিদ্যুিনর্ভর ক্ষুদ্র শিল্প কল- কারখানায় গত এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুতের চরম সঙ্কট চলছে । এসব কল-কারখানা প্রায় ১০ হাজার কর্মক্ষম মানুষ জীবন-জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। বিদ্যুতের লুকোচুরিতে শ্রমিক-কর্মচারিদের বেতন-ভাতা পরিশোধে প্রতিদিন বিনিয়োগকারী আর্থিক যোগফল টানতে হিমশিম খাচ্ছে। এক যুগ আগে নীলফামারী জেলার মানুষজনের ভাতের অভাবে প্রাণ হারানোর খবর ছিল বিশ্বজুড়ে। এ খবর ফলাও করে গণমাধ্যমগুলো তুলে ধরতো। এ অবস্থার পরিবর্তন ও খাদ্য ভান্ডার পূর্ণ করতে কৃষি গবেষকদের উদ্ভাবিত খরা ও বর্ষা মৌসুমে সেচনির্ভর বোরো ধানের চাষাবাদ শুরু হয়। চলতি শুষ্ক মৌসুমে এ জেলায় প্রায় ১ লাখ হেক্টর জমিতে সেচনির্ভর বোরো চাষাবাদ হয়েছে। যদিও ৭০ ভাগ সেচনির্ভর বোরো আবাদ বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল। ১৫ ভাগ তিস্তা সেচ প্রকল্পের আওতায়। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে প্রায় শতাধিক মোটর পাম্প পুড়ে বিকল হয়ে পড়েছে। বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে প্রায় এক লাখ সেচনির্ভর বোরো চাষির নাভিশ্বাস উঠেছে।