১/১১ পর তিনি দক্ষ কাণ্ডারীর মত দলের হাল ধরেন

আপডেট : ২১ মার্চ ২০১৩, ২২:৫৭
দু:সময়ে-দুর্দিনে, জাতির সংকটে তিনি সর্বদা কান্ডারীর ভূমিকা পালন করেছেন। ১/১১-এর সময় তাঁকে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া না হলে আজ ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো। কথাগুলো বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে বলেছেন আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সকল সচিব এ সভায় উপস্থিত ছিলেন। সভায় রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা এবং একদিনের সরকারি ছুটি অনুমোদন করা হয়। সভার শেষেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছুটি সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হলে দুপুর ১২টার দিকে সকল সরকারি, বেসরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক বীমা, অফিস-আদালতের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মস্থল ত্যাগ করেন। সূত্র জানায়, সভার শুরুতে এই প্রথমবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ কোনো ব্যক্তির মৃত্যুতে মন্ত্রিপরিষদের সভায় উপস্থিত সকলে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। নীরবতা পালন শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত প্রয়াত জিল্লুর রহমানের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিজীবন সম্পর্কে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপস্থিত সকলেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বলে সভায় উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা জানান। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, ‘১/ ১১ এর পর আমাকে যখন গ্রেফতার করা হয়-তখন জিল্লুর রহমানকে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তাঁকে এ দায়িত্ব দিতে না পারলে আজ বাংলাদেশের ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো। তিনি বলেন, জিল্লুর রহমান পিতৃস্নেহে শুধু দলকে আগলে রাখেননি, গণতান্ত্রিক পক্রিয়া চালু করার জন্য ঝুঁকি নিয়ে সকল পদক্ষেপ নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে সকল সময় জাতীয় সংকটে জিল্লুর রহমান কান্ডারীর ভূমিকা পালন করেছেন।