মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, যারা এই নাশকতা চালিয়ে ৪ পুলিশসহ ৫ জনকে হত্যা করেছে তারা মানবতা ও দেশের শত্রু। তারা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। তাই কোন অবস্থাতেই তাদেরকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার কোন পথ নেই। কালক্ষেপণ না করে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার এখনই সময়। সংখ্যালঘুদের নির্যাতন কপালে কলঙ্ক লেপে দিয়েছে। দেশে অশুভ শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দেশ আজ কঠিন সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। রুখে দাঁড়াতে হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ধর্মের দোহাই দিয়ে মৌলবাদীচক্র সহিংসতা করছে। তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। ড. মিজানুর রহমান ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বামনডাঙ্গা রেল স্টেশন, বামনডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ি, শান্তিরাম গ্রামের কয়েকটি মন্দির ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়ি পরিদর্শন করেন। তার সাথে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব, কমিশনের সদস্য ফাওজিয়া করিম ফিরোজ ও পরিচালক শামীম আহম্মেদ। বুধবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কমিশনের পক্ষ থেকে মানবাধিকার সুরক্ষায় নাগরিকের কর্তব্য বিষয়ে মতবিনিময়ে বক্তব্য দেন।
