সমুদ্রের গভীর থেকে জেগে উঠছে এপিকিউয়েন শহর

আপডেট : ২২ মার্চ ২০১৩, ২১:১৯
হঠাত্ই ধেয়ে আসা বন্যার পানিতে ডুবে গিয়েছিল গোটা একটা শহর। চলে গিয়েছেল সমুদ্রের গভীরে। সাতাশ বছর পরে পানি সরে গিয়ে একটু একটু করে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে ‘ভিলা এপিকিউয়েন’-এর ভগ্নস্তূপ। রাজধানী বুয়েনস আইরেসের অদূরে হারিয়ে যাওয়া এক সৈকত শহর। —খবর বর্তমান পত্রিকার এপিকিউয়েন প্রথম গ্রাম থেকে শহরের চেহারা নেয় ১৯২০ সালে। হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এর সুবিশাল ‘লেগুন’। সমুদ্রের পানি জমির মধ্যে ঢুকে এসে তৈরি হয় এই ধরনের হ্রদ। আর এই হ্রদ প্রাকৃতিকভাবেই তৈরি একটা পাথরের প্রাচীর আলাদা করে রাখে সমুদ্র থেকে। এপিকিউয়েনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও ছিল অসাধারণ। বলা হত, ‘চিরবসন্তের শহর’ লেগুনের পানিতে লবণের পরিমাণ ছিল ‘ডেডসি’-র কাছাকাছি। শোনা যেত, ওই পানিতে স্নান করলে, মানসিক কষ্ট থেকে ত্বকের রোগ, কিংবা বাত, রক্তাল্পতা মানুষের যাবতীয় অসুখ নাকি নিমেষে সেরে যেত। প্রতি বছর, কম করে হলেও ২০ হাজার পর্যটক ভিড় করতো এপিকিউয়েন শহরে। স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছিল অসংখ্য দোকান-পাট, হোটেল, রেস্তোরাঁ, রিসর্ট। ছোট-বড় প্রায় আড়াইশো ব্যবসা। জনসংখ্যাও ছুঁয়েছিল দেড় হাজারের উপর। কিন্তু ১৯৮৫ সালের ১০ নভেম্বর হঠাত্ই ধুয়ে-মুছে গেল শহরটা।