কাশ্মিরে সেনাচর সন্দেহে গুলি করে ছাত্র হত্যা

আপডেট : ২২ মার্চ ২০১৩, ২১:২০
রাতের খাওয়া সারার সময় একটি ফোন পেয়ে ঘর ছেড়ে বেরিয়েছিল একাদশ শ্রেণীর ছাত্রটি। কিছুক্ষণ পরেই তার পিতার কাছে ফোন আসে। মসজিদের কাছে পড়ে আছে ছেলের রক্তাক্ত মৃতদেহ। কেউ গুলিতে ঝাঁঝরা করেছে ১৮ বছরের সুহেল আহমদ সোফিকে। —খবর আনন্দবাজার পত্রিকার মঙ্গলবার রাতে উত্তর কাশ্মীরের বারামুলা জেলার সোপোর এলাকার এই ঘটনার দায় কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী এখনও পর্যন্ত স্বীকার করেনি। কিন্তু প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, লস্কর-ই-তইবাই হামলা চালিয়েছে। সুহেলকে নিরাপত্তাবাহিনীর গুপ্তচর বলে সন্দেহ করেছিল তারা। সোপোরের পুলিশ সুপার সইদ ইমতিয়াজ হুসেন বুধবার জানিয়েছেন, সে রাতে সুহেলকে শেষ দেখা যায় আর একটি ছেলের সঙ্গে স্থানীয় মসজিদের বাইরের মাঠে সবে কথা বলতে। সে সময় মসজিদে একটি জমায়েত চলছিল। হঠাত্ই জঙ্গিরা এস সুহেলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। কোনোভাবে সেই গুলিটি এড়িয়ে গিয়ে মসজিদের ভিতর দৌড়ে পালায় সুহেল। লুকিয়ে পড়ে ফায়ার প্লেসের ভিতরে। কিন্তু একজন জঙ্গি তাকে তাড়া করে মসজিদের ভিতরে ঢুকে পড়ে। পর পর পাঁচটি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সুহেলের। ঘটনার পর থেকেই শোকের আবহ সোপোরের দোয়াবগাও এলাকার কুন্দরি মহল্লায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অত্যন্ত গরিব পরিবারের ছেলে ছিল সুহেল। তার বাবা গোলাম নবি সোফি খুব কষ্ট করে রোজকার অন্ন সংস্থান করতেন।