সততা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে দুই প্রধান দলের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে সহিংসতা বন্ধ করা জরুরি। বিশ্বমন্দায়ও আমাদের আক্রান্ত করতে পারেনি। কিন্তু বর্তমান সহিংস পরিস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে চরমভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। শুক্রবার টিএসসিতে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাউন্টিং এলামনাই এসোসিয়েশনের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব বলেন।
পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, এফবিসিসিআইর সভাপতি কাজী আকরামুদ্দিন আহমেদ, ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই পুনর্মিলনীর কার্যক্রম শুরু হয়।
ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক জাতির অভিভাবক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জানিয়ে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার অসামান্য অবদানের কথা উল্লেখ করেন। জাতির দুঃসময়ে সেনাশাসনের আমলে দৃঢ়তার সাথে তিনি অকুতোভয় রাজনীতিবিদ হিসেবে সাধারণ মানুষের পাশে অবস্থান নিয়ে সংকট মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন বলে উপাচার্য উল্লেখ করেন। তিনি আদর্শ দর্শনের মাধ্যমে দেশকে সমৃদ্ধশালী করার জন্য এলামনাইদের প্রতি আহ্বান জানান।
কাজী আকরামুদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের উন্নয়নে সহিংসতার রাজনীতির পরিবর্তে মানবতার রাজনীতি এখন খুবই জরুরি। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে সংলাপের আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীর হাতে পুলিশ হত্যা অথবা পুলিশের কর্তৃক মানুষ হত্যা বন্ধ করতে হবে।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. এম হারুনুর রশিদ, এফসিএমএ’র চেয়ারপারসন প্রফেসর মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, রকিবুদ্দিন আহমেদ, লায়ন এস এম ওয়াহিদুজ্জামান বাবর, একেএম মাহফুজুর রহমান জলিল ও গিয়াস উদ্দিন।
এছাড়া ছিল প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীর মেধাবী সন্তানদের একাডেমিক এ্যাওয়ার্ড প্রদান, ড. হাবিবুল্লাহ মেমোরিয়াল লেকচার ও গোল্ড মেডেল প্রদান, রমজান আলী মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন বৃত্তি প্রদান, স্মৃতিচারণ, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, খেলাধুলাসহ নানা আয়োজন।
