রাজধানীর হাতিরঝিলে পেট্রোল বোমা হামলায় দগ্ধ ডা. রাকিবুল আলম ডিউকের শারীরিক অবস্থার ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। একা উঠে-বসতে পারছেন, কথা বলতে পারছেন স্বাভাবিকভাবে, ক্ষতও শুকিয়ে আসছে। তবে এখনও তাকে শঙ্কামুক্ত বলছেন না চিকিত্সকরা।
বিএনপির ডাকা ৩৬ ঘন্টা হরতাল শুরুর আগে ১৭ মার্চ রাতে হাতিরঝিল প্রকল্পে চলন্ত প্রাইভেটকারে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে দুর্বৃত্তরা। গাড়িতে ছিলেন ডা. রাকিবুল আলম, ডা. ওমর ফারুক, ডা. রায়হান শরীফসহ চারজন। বোমা বিস্ফোরণে তাদের মধ্যে ডা. ডিউক গুরুতর অগ্নিদগ্ধ হন। ডা. ডিউক ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) নেতা। ডা. ডিউক ১৯৯৭ সালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ছিলেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন ডা. রাকিবুল আলম ডিউক। চিকিত্সার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ডা. রাকিবুলের অবস্থা ক্রমশ ভালোর দিকে যাচ্ছে। তিনি এখন স্বাভাবিক খাবার খেতে পারছেন, নড়াচড়া করতে পারছেন। শারীরিক যন্ত্রণা আগের চেয়ে অনেক কম। তবে আরও চার-পাঁচদিন সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এরপর ডা. রাকিবুল সম্পর্কে নিশ্চিত কোন মন্তব্য করা যাবে। তার শরীরে অস্ত্রোপচারের ব্যাপারেও কয়েকদিন পরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বার্ণ ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক ডা. সামন্তলাল সেন বলেন, তিনি এখন আগের চেয়ে ভালো আছেন। আমরা আশা করছি, তিনি দ্রুত সেরে উঠবেন।
