গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে ব্যাংকিং খাতের লেনদেন বেড়েছে। এর সঙ্গে বেড়েছে এ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর। বেশ কিছুদিন ধরেই ব্যাংকিং খাতের লেনদেনে খুব একটা গতি ছিল না। তবে গত সপ্তায় এ খাতের লেনদেনে কিছুটা গতি ফিরে এসেছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এ বছর ব্যাংকগুলো ভালো লভ্যাংশ দিতে পারবে না এমন ধারণার কারণেই এ খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কিছুটা কম ছিল। এরপরও ব্যাংকগুলো ধীরে ধীরে লভ্যাংশ ঘোষণা করার প্রেক্ষিতে এ খাতের লেনদেন বাড়তে শুরু করেছে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ব্যাংকিং খাতের গড় লেনদেন ৪৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ২৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে বাজার মূলধন ১ দশমিক ৬১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৪৫ হাজার ৭১৬ কোটি টাকায়।
এদিকে ডিএসইতে সপ্তাহের ব্যবধানে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই) ০.৫৭ শতাংশ বেড়েছে। ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী বর্তমান গড় পিই রেশিও ১১ দশমিক ১৯। যা আগের সপ্তাহে ছিল ১১ দশমিক ১৩। অর্থাত্ সপ্তাহের ব্যবধানে গড় পিই রেশিও বেড়েছে ০.০৬ বা ০.৫৭ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর বাজারে পিই রেশিও কিছুটা বেড়েছে। যদিও পিই রেশিও বাড়লে বাজারের ঝুঁকি বাড়ে তবে সাম্প্রতিক সময় বাজারে শেয়ার দর অব্যাহতভাবে পড়তে থাকায় বাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীরা মোটেই আশাবাদী হতে পারছিলেন না। এ অবস্থায় পিই বাড়ার প্রবণতাকে ইতিবাচকভাবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, বাজারে দীর্ঘদিন ধরে পিই রেশিও বেশ নিচে অবস্থান করছে। এ অবস্থায় বাজারে বিনিয়োগ করা নিরাপদ। এরপরও বিনিয়োগকারী ও তারল্য সঙ্কট বাজারের পতনের জন্য বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
