জেলা-উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও পুলিশের নিবিড় নজরদারি সত্ত্বেও মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে অপ্রতিরোধ্য গতিতে জাটকা নিধন চলছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ইলিশ মৌসুমে মাছের দেশ ভোলায় ইলিশের দেখা মিলবে না। সরকার মার্চ, এপ্রিল— ২ মাস ভোলা-মেঘনা-তেঁতুলিয়ায় ইলিশতো বটেই অন্যান্য মাছ ধরার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। চাপিলা নাম দিয়ে একভাগ জাটকা বিক্রি করা হচ্ছে বিভিন্ন হাট-বাজারে মাত্র ৫০ টাকায়। প্রতি ভাগেই জাটকা থাকে ৪০/৫০টি। মাত্র ৪/৫ মাস পরে এগুলোর দাম হতো লক্ষাধিক টাকা।
গত ১৫ মার্চ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ হোসেনসহ একটি টিম দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের অন্তর্গত তেঁতুলিয়া পাড়ের শান্তিরহাট, মাছঘাট, বটতলা, বাংলাবাজার ও খাসেরহাট বাজারে অভিযান চালিয়ে ৫ মণ জাটকা ও অন্যান্য প্রজাতির বিপুল পরিমাণ মাছ আটক করে। জড়িত ৩ জনকে একমাস করে কারাভোগের দণ্ড দেয়া হয়। গত ১৫ দিনে ১৫ জনকে এক থেকে ৬ মাসের কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়। এলাকাবাসী জানায়- প্রতিদনি ৫/৭ টন জাটকা নিধন করা হচ্ছে। মাত্র ২ দিন আগে বিপুল পরিমাণ জাটকা বিক্রি করা নিয়ে দু’দলে সংঘর্ষ হয়। শান্তিরহাট ঘাটের ব্যবসায়ী খোরশেদ খাঁ জানায়, বাউফল থেকেও এখানে জাটকা বিক্রি করতে ব্যবসায়ীরা আসে। তারা বিক্রি শেষে ভোর রাতের দিকে আবার চলে যায়। মাকছুদুর রহমান ও খোরশেদ খাঁ অভিযোগ করে বলেন- আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীকে ম্যানেজ করেই জাটকা নিধনের কাজ চলছে।
