জামায়াত নিষিদ্ধের দাবি শোলাকিয়া ইমামের

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৩, ২২:২৭
জামায়াতে ইসলামী শুধু যুদ্ধাপরাধী দলই নয় তারা ইসলামের শক্র আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতিহত করার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ওলামা-মাশায়েখ তৌহিদী জনতা সংহতি পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম ও খতীব মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। গতকাল শনিবার রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতার সময় এমন কোন দুষ্কর্ম নেই যে জামায়াত-শিবির করেনি। এটা কোন রাজনৈতিক দল নয়, তারা সন্ত্রাসী ও উগ্রবাদী সংগঠন। ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের এই ইমাম বলেন, ব্লগারদের মতো জামায়াত-শিবিরও আল্লাহ ও রাসুলকে অবমাননা করে নাস্তিক ও মুরতাদে পরিণত হয়েছে। তাদের এ দেশে ঠাঁই নেই। জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করতে হবে। তিনি যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ বিচার নিয়ে যেন কোন টালবাহানা করা না হয় সেজন্য সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, ইসলামের অবমাননা রুখতে সরকার যে কমিটি গঠন করেছে তাতে কওমি, আলিয়ার বিজ্ঞ আলেমদের এবং পীর মাশায়েখদের প্রতিনিধিত্ব থাকতে হবে। নইলে কোন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। এ সময় তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশ্যে বলেন, শুধু দাড়ি-টুপি পড়া দেখলেই কাউকে ধরবেন না। জামায়াতিরা পাঞ্জাবির সাথে প্যান্টও পরে। ইসলামী ব্যাংকে টাকা রাখা হারাম মন্তব্য করে তিনি বলেন, এরা হাত ঘুরিয়ে সুদ খায়। এরা হলো সাপ। আমি বলবো, যাদের ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট আছে তারা সেই একাউন্ট তুলে নেন। সমাবেশ থেকে ওলামা-মাশায়েখ তৌহিদী জনতা সংহতি পরিষদের চেয়ারম্যান নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি দেশের জেলায় জেলায় এ ধরনের সমাবেশ করার ঘোষণা দেন। এছাড়া শান্তির জন্য ট্রেন যাত্রার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নিয়ে কনভেনশন করার ঘোষণা দেন। সমাবেশে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। শেষে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।