বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই ‘মধুমতি নদীর ভাঙনের কবলে শিয়েরবর সরকারি প্রাথমিক স্কুল মাঠের দুই-তৃতীয়াংশ ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। যে কোন সময় বিদ্যালয় ভবনটি নদীগর্ভে চলে যাবে। সামনে বর্ষা মৌসুমে ভাঙন তীব্র হওয়ার আগেই প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নিলে স্কুলসহ শিয়রবর বাজারও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে বাজারের ৯টি দোকানঘর, দু’টি সরকারি চান্দিনা ও মসজিদ নদীতে চলে গেছে। বাজারসংলগ্ন চারটি বসতঘর ও আধা কিলোমিটার পাকা সড়ক মধুমতি গ্রাস করেছে। হুমকির মুখে রয়েছে বাজারের আরো ১০৮টি দোকানঘর, অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি ও পাকা সড়ক। বাজার বণিক সমিতির সহ-সভাপতি মসিউর রহমান বলেন, লোহাগড়া উপজেলার উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহত্ ধান-পাট ও গরু-ছাগলের হাট শিয়েরবর। হাজার পরিবারের জীবন-জীবিকা চলেছে এ বাজারের ওপর। প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা বারবার এখানে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়ার অঙ্গীকার করলেও কাজের কোনো খবর নেই।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এস কে আবু বাকের বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে এলাকা পরিদর্শন করেছি। নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী জুলফিকার আলী জানান, ভাঙন কবলিত এলাকা পাউবোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনের পর তাদের নির্দেশে একবছর আগে জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় প্রকল্প তৈরি করে পাঠানো হয়েছে।
