মির্জাপুর উপজেলার কোদালিয়া গ্রামে স্বামী-স্ত্রীর ডবল মার্ডার মামলার ভবিষ্যত্ অন্ধকারে। ঘটনার ১১ মাস পার হলেও চাঞ্চল্যকর এই মামলার কোন কুলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। মামলার পর থেকেই খুনিদের হুমকি ও চাপের মুখে পড়েছে মামলার বাদি লাইলী বেগম এবং তার পরিবার। ফলে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ঐ পরিবারটি । গতকাল রবিবার মামলার বাদিনী ও তার পরিবার এই অভিযোগ তুলে ধরেন।
এদিকে ডবল মার্ডার ঘটনায় ভাগিনা মাসুদ গ্রেফতার হলেও অদৃশ্য কারণে সমপ্রতি জামিনে বের হয়ে এসে রহস্যজনকভাবে মারা গেছে। মাসুদের রহস্যময় মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ন্যায় বিচার পাবেন কি না এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন মামলার বাদি । নিহত মোসলেম উদ্দিন সিকদারের বিদেশ ফেরত দুই পুত্র মোস্তফা ও মশিউর অভিযোগ করেন মামলায় যাদের আসামি ও অভিযুক্ত করা হয়েছে মাসুদের সহযোগী মামা হালিম সিকদার, সোলেমান সিকদার ও শাজাহান এখন এলাকাতেই বীরদর্পে চলাফেরা করছে।
তবে ক্ষমতাসীন দলের একটি চক্র মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য জোর তদবির করে যাচ্ছে। পুলিশ আসামিপক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা পেয়ে মামলার কোন কাজ করছে না এবং আসামিদের না ধরে তাদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার লোকজন অভিযোগ করেন মাসুদ, হালিম সিকদার, সোলেমান, সিকদার, শাজাহান সিকদার ও এদের সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে পুরো এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে জিম্মি। সম্পত্তির লোভে গত বছরের ১৭ জুলাই নিজ বাড়িতে নির্মমভাবে স্বামী-স্ত্রী খুন হন বলে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেন।
