বাংলাদেশের সাথে যৌথ উদ্যোগে তরুণ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন ভারতের এসএমই বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। তারা বলেন, উভয় দেশের এসএমই খাতেই বেশকিছু গুণগতমানের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প পণ্য উত্পাদন হয়ে থাকে। দু’দেশের মধ্যে এসব পণ্যের ব্যবহার বাড়িয়ে দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য জোরদার করা সম্ভব। বাংলাদেশ সফররত ভারতের এসএমই বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিনিধিদলের সদস্যরা গতকাল শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়ার সাথে বৈঠককালে এ প্রস্তাব দেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস. মোহন্ত, ন্যাশনাল স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ড. এইচ পি কুমার, ইন্টিগ্রেটেড অ্যাসোসিয়েশন অব মাইক্রো, স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেস অব ইন্ডিয়া-এর চেয়ারম্যান রাজীভ চাওলা, বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনের প্রথম সচিব আর. মাসাকিসহ প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বলেন, ভারতে দক্ষ এসএমই উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে উদ্যোক্তাদের বন্ধকীবিহীন ঋণ, প্রশিক্ষণ, তথ্য ও মানোন্নয়ন সেবা দেয়া হচ্ছে। তবে অপর্যাপ্ত ঋণ সুবিধা এখনো ভারতে এসএমই খাত বিকাশের পথে একটি অন্যতম অন্তরায় বলে উল্লেখ করেন। তারা বাংলাদেশের শিল্পখাতে অর্জিত প্রবৃদ্ধির প্রশংসা করেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ভারতের জন্য ফলপ্রসূ হতে পারে বলে তারা অভিমত দেন। শিল্পমন্ত্রী তার বক্তব্যে এসএমই খাতের বিকাশের জন্য পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন ও উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন। এক্ষেত্রে ভারতের উদ্যোক্তারা বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
