জোকস

আপডেট : ২৫ মার্চ ২০১৩, ১৯:৩১
পঞ্চাশের দশকের কথা। একদিন এক আমেরিকান তার এক সোভিয়েত বন্ধুর কাছে জানতে চাইলো— :আচ্ছা তোমাদের এখানে এখন মতামত প্রকাশ বা মতবিনিময়ের সুযোগ কতোটুকু? :দুটোই খুব দারুণ। এই যেমন ধরো আমি আমার নিজের মত নিয়ে পার্টি অফিসে গেলাম এবং সেখানে তা প্রকাশ করলাম। তারপর ফেরার সময় পার্টির যে মত সেটাকেই নিজের মত হিসেবে মেনে নিয়ে বাড়ি ফিরলাম। এতে আমার মত প্রকাশও হলো আবার মত বিনিময়ও হলো! সর্দারজি একটি গাছের নিচে চুপচাপ বসে আছে দেখে তার এক বন্ধু জিজ্ঞেস করল, ‘কী সর্দার এমন চুপটি মেরে আছ কেন? হয়েছে কী শুনি?’ সর্দারজি বলল, ‘আর বলো না! যে মেয়েটির নাম ভুলে যেতে চাই বলে এই একান্ত নির্জনে এলাম এখন তার নামটি কিছুতেই মনে করতে পারছি না!’ সর্দারজি নতুন নতুন গাড়ি চালানো শিখেছেন। হাইওয়ে ধরে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনাক্রমে তিনি একটা গাড়ির পেছন থেকে ধাক্কা দিলেন। গাড়ি থেকে নেমে এল বিশালদেহী এক কুস্তিগির। সর্দারজির শার্টের কলার ধরে তাকে টেনেহিঁচড়ে গাড়ি থেকে বের করে বলল, কত বড় সাহস, আমার নতুন গাড়ি তুমি ভেঙে ফেলেছ? আজ তোমাকে দেখাব মজা। রাস্তার পাশের মাঠে গোল একটা বৃত্ত আঁকল কুস্তিগির। সর্দারজিকে বৃত্তের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে বলল, এখানে দাঁড়িয়ে দেখো, তোমার গাড়ি আমি কী করি। কিন্তু খবরদার, এই বৃত্ত থেকে বের হবে না। সর্দারজির গাড়ির দরজাটা এক লাথি দিয়ে ভেঙে ফেলল কুস্তিগির। পেছনে তাকিয়ে দেখে, সর্দারজি মুচকি মুচকি হাসছেন। আরও খেপে গেল কুস্তিগির। সে সর্দারজির গাড়ির জানালাগুলো ভেঙে ফেলল। তবু সর্দারজির হাসি থামে না। রেগেমেগে কুস্তিগির বলল, এই বুদ্ধু, তুমি হাসছ কেন? সর্দারজি বললেন, বুদ্ধু আমি না তুমি? তুমি যতবার গাড়ি ভাঙার জন্য পেছনে ফিরেছ, ততবার আমি বৃত্ত থেকে বের হয়েছি, তুমি তা দেখতেই পাওনি! হা হা হা...