প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের অগ্রযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অবশ্যই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করতে হবে। তিনি বলেন, প্রত্যেক জাতি তার স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচারের আওতায় এনেছে। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের নিরাপদ ও সুস্থ ভবিষ্যত্ বিনির্মাণ ও তাদের বাধাহীন উন্নয়নের জন্য এই বিচার প্রক্রিয়া অবশ্যই সম্পন্ন করতে হবে।
শেখ হাসিনা সোমবার ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদানকালে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় অরাজকতা ও বিশৃংখলার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টির অপতত্পরতায় লিপ্ত রয়েছে। জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এবং জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের অমর চেতনা বাস্তবায়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে প্রতিবছর বাংলাদেশের নাগরিক বা সংগঠনকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়। এ বছর পদকপ্রাপ্ত ৮ বিশিষ্ট ব্যক্তি হচ্ছেন- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে মরহুম এম এ হান্নান, শহীদ এম শামসুল হক, আবদুল হামিদ এডভোকেট, আলহাজ্ব ড. এম মোশাররফ হোসেন ও লে. কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীরপ্রতীক, অর্থনীতিতে প্রয়াত স্বদেশ রঞ্জন বোস, শিল্প সংস্কৃতিতে প্রয়াত সত্যসাহা এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণে ড. মুহাম্মাদ আবদুল হামিদ মিয়া।
প্রধানমন্ত্রী এ বছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে তাঁদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার প্রদান করেন। পুরস্কারের মধ্যে রয়েছে একটি করে স্বর্ণপদক, দুই লাখ টাকার একটি চেক ও একটি সনদপত্র। পুরস্কারপ্রাপ্তদের পক্ষে ড. মুহাম্মাদ আবদুল হামিদ মিয়া অনুষ্ঠানে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী পরিষদ সচিব এম মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা ও মানপত্র পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে মরহুম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
