আসরের প্রিয় বন্ধুরা,
তোমরা সবাই কেমন আছো? আমার মতো হয়তো তোমাদের মনটাও ভালো নেই। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশনের মাধ্যমে জানতে পারলাম আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান মৃত্যুবরণ করেছেন। সংবাদটি শুনে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। বড়দের কাছে জেনেছি রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান বড় ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি শিশু-কিশোরদের খুব ভালোবাসতেন। বঙ্গভবনে গেলে তাঁর নাতিদের মতোই আদর-স্নেহ করতেন। মাত্র ক’দিন পরে আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাাপিত হবে। তিনি বেঁচে থাকলে স্বাধীনতা দিবসের জাতীয় অনুষ্ঠানে আমরা তাকে দেখতে পেতাম। তাঁর মৃত্যুতে সরকার তিনদিনের জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করেছে। আমরা সবাই তাঁর প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা জানাই।
তুষার আহমেদ পাপ্পু
সদস্য নম্বর: ৭
ঘুনসী উচ্চ বিদ্যালয়, শিরখাড়া, মাদারীপুর।
আশাকরি সব্বাই ভালোই আছো। অনেকদিন থেকে টেলিভিশনে শাহবাগ চত্বরের দৃশ্য দেখছি। আমি প্রথমে আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের কথা সবার মুখে শুনে ভেবেছিলাম বাংলাদেশে এখন কি আর ’৭১-এর মতো দেশপ্রেমিক মানুষ আছে? সেই দৃশ্য দেখে বুঝতে পারলাম যে হ্যাঁ এখনও অনেক মানুষ আছে যারা দেশকে ভালোবাসে। আর তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমার আজকের কবিতা—
বীর বাঙালি
বীর বাঙালি উঠল জেগে
অনেক বছর পরে
বাড়ল সাহস জ্বলল প্রদীপ
প্রতি ঘরে ঘরে।
রিতু পারভীন, সদস্য নম্বর: ৩০৮১
ছাতক, সুনামগঞ্জ।
প্রিয় বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছো। আমি ফাইজা মোস্তফা, আমার সদস্য নম্বর: ১৪৯৯। স্বাধীনতার মাসটি কেমন কাটছে? অনেক ভালো তাই না? আসলে এই মাসটি আসলেই মনটা কেমন জানি আনন্দে ভরে ওঠে। স্বাধীন এই দেশের ২৬শে মার্চ একটি অন্যতম দিন। তাই এই উপলক্ষে আমি একটি ছবি এঁকে পাঠালাম। আশা করি এটা ছাপানো হবে। গত ২১ শে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে আমি একটি কবিতা লিখে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু তা ছাপানো হয়নি। এতে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। তাই আশা করি ছবিটা ছাপানো হবে। আজ এ পর্যন্তই। পরেরবার আরও অনেক কিছু পাঠাবো। সবাই আমার পক্ষ থেকে স্বাধীনতার শুভেচ্ছা নিও।
ফাইজা মোস্তফা
সদস্য নং: ১৪৯৯
রায়েরবাজার হাইস্কুল, ঢাকা।
