ইত্তেফাক রিপোর্ট
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসইর) লেনদেন সহজ ও উন্নত করতে মেম্বারস সার্ভার অ্যাপ্লিকেশন (এমএসএ) প্লাস সফটওয়্যার চালু করা হয়। তবে সফটওয়্যারটির চালুর প্রায় নয় মাস পার হলেও এর জটিলতা কাটেনি। তাই দুই মাস আগে ডিএসই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এখনও সফটওয়্যারটির জটিলতার অবসান হয়নি। এ পরিস্থিতিতে ডিএসইর অনলাইন ট্রেডিং সিস্টেম নিয়ে আরো একটি তদন্ত কমিটি গঠন করল শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
অনলাইন ট্রেডিং সিস্টেম এমএসএ প্লাস সফটওয়্যারের কারিগরি ত্রুটির কারণ জানতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বিএসইসি। কমিশনের নির্বাহী পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন নির্বাহী পরিচালক মো. আশরাফুল ইসলাম ও পরিচালক শেখ মাহাবুবুর রহমান। গত সোমবার বিএসইসির উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক জারিকৃত আদেশে এ তথ্য জানা গেছে। এ আদেশ জারির দিন থেকে কমিটিকে তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে সাত কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনের কাছে দাখিল করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
জানা গেছে, গত কয়েক মাসে বেশ কয়েক বার ডিএসইর এমএসএ প্লাস সফটওয়্যারে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এতে বিলম্বে লেনদেন শুরু হয়। ফলে বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়ে। এ ঘটনার কারণ বা এর নেপথ্যে কে বা কারা রয়েছে তা উদ্ঘাটনে এ কমিটি গঠন করল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।
বিএসইসির আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিএসইসি লক্ষ করেছে, ডিএসইর ট্রেডিং সিস্টেমে মাঝে মধ্যেই কারিগরি ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে নতুন কোনো কোম্পানির লেনদেন শুরুর দিনেই এ প্রবণতা বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। আদেশে আরো বলা হয়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ-১৯৬৯-এর ২১ ধারা ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন-১৯৯৩-এর ১৫ নম্বর আইনের ১৭ক ধারা মোতাবেক সম্পূর্ণ বিষয়টি তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।
