টেকনাফ সংবাদদাতা
সেন্টমার্টিনে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বাধা দিয়ে স্থানীয় গার্ডের ওপর হামলা করেছে একটি হোটেল কর্তৃপক্ষ। এ দ্বীপে দুই শতাধিক বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের মাথায় নিরাপত্তার অভাবে অভিযান বন্ধ রেখে চলে এসেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজন। রবিবার পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালকের উপস্থিতিতে অধিদপ্তরের এক গার্ডের ওপর হামলা এবং সরকারি উচ্ছেদ কাজে বাধা সৃষ্টি করে হোটেলের লোকজন ।
জানা যায়, ওইদিন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আলমগীর, উপ-পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সর্দার শরীফুল ইসলাম, কোস্টগার্ড সেন্টমার্টিন স্টেশন কমান্ডার লে. হাবিবুর রহমান ও সেন্টমার্টিন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই মো. হারুনের নেতৃত্বে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম অভিযানকালে স্বপ্নবিলাস হোটেলের কিছু অংশ ভাংচুরকালে স্থানীয় আব্দুর রব মেম্বারের ভাই আবু বক্করসহ কয়েকজন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কাজে বাধা সৃষ্টি এবং পরিবেশ গার্ড আব্দু শুক্কুরের ওপর হামলা করে। পরে স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার অবৈধ স্থাপনা না করার আশ্বাসে পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজন সেখান থেকে কোস্টর্গাড কার্যালয়ে চলে আসে। পরে স্পিডবোটে টেকনাফ ফিরে আসেন । এদিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ৬ হাজার লোকের বসবাস। কিন্তু সেখানে কুকুর রয়েছে আড়াই হাজার । এ কুকুরের কারণে দ্বীপবাসী ও পর্যটকদের জলাতঙ্ক ও র্যাবিস ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। এসব কুকুরের কারণে সামুদ্রিক কচ্ছপ ও কাঁকড়া সাগর পাড়ে ডিম দিতে পারছে না। যার কারণে সামুদ্রিক কচ্ছপ ও কাঁকড়া বিলুপ্ত হতে চলছে। এ বছর সৈকতে প্রচুর কচ্ছপ মারা গেছে। তাই পরিবেশ অধিদপ্তরের এ টিম দ্বীপে এক হাজার বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের কার্যক্রম হাতে নিয়ে শনিবার দুপুর থেকে রবিবার দুপুর পর্যন্ত ২১২টি বেওয়ারিশ কুকুর নিধন করে নিরাপত্তার অভাবে কাজ বন্ধ রেখে চলে আসে।
