সংক্ষিপ্ত বিচারিক ক্ষমতা চান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০১৩, ২২:৩৩
হরতালে মোবাইল কোর্ট বসিয়েও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না। এ জন্য তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ ধারা মোবাইল কোর্ট আইনে অন্তর্ভূক্ত করে সংক্ষিপ্ত বিচারিক ক্ষমতা চাচ্ছেন। একইসঙ্গে আইনের ৬ (১) ধারায় স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করার বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। মোবাইল কোর্ট আইনে আরও বেশি আইনের প্রয়োগের সুযোগ এবং ৬ (১) ধারার আলোচ্য অংশ বাতিল করার জন্য ২০১০ সালের জেলা প্রশাসক সম্মেলনে ডিসিরা প্রথম দাবি উত্থাপন করেন। সম্মেলনে এ দাবি গ্রহণ করা হয়। আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে দ্রুত মোবাইল কোর্ট আইন সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দেন। ইতিমধ্যে দুই বছর পার হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আইনটি সংশোধনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এদিকে ইতিমধ্যে বিরোধী দলের লাগাতার হরতালে পিকেটার ধরতে মোবাইল কোর্ট বসাচ্ছে। কিন্তু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা দোষ স্বীকার না করলে আইনে কিছুই করার নেই বলে দ্রুত আইন সংশোধনের তাগিদ দিচ্ছেন। প্রায় সকল ডিসি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি পাঠিয়েছেন। তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ ধারা মোবাইল কোর্ট আইনের তফশিলে অন্তর্ভূক্ত করে সংক্ষিপ্ত বিচারিক ক্ষমতাও চেয়েছেন।