কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা
কলারোয়ার ভারত সীমান্তবর্তী শ্রীরামপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে আহসান হাবিব স্বপনকে নারী পাচারের অভিযোগে সম্প্রতি গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, আহসান হাবিব স্বপন পার্শ্ববর্তী সুলতানপুর গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা এক তরুণীকে (১৯) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ২২ ডিসেম্বর বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে ভারতে নিয়ে যায়। কিন্তু সীমান্ত পার হয়ে তিনবার হাত বদল হয়ে মোটা অংকের টাকায় বিক্রি হয়ে যায় তহমিনা। পাচারের শিকার ওই তরুণী পরবর্তীতে জানায়, তাকে মুম্বাই শহরের এক পতিতালয়ে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা হয়। পতিতাপল্লীর এক মাসী লগ্নি করা টাকাসহ কিছু টাকা লাভ না হওয়া পর্যন্ত তাকে ছেড়ে দেবে না বলে জানায়। পাচারের শিকার তরুণীর মা জানান, প্রতিবেশীদের পরামর্শে ২৪ জানুয়ারি স্বপনের বিরুদ্ধে কলারোয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সাফুর আহম্মেদ ১০ মার্চ উপজেলার চান্দুড়িয়া বাজার থেকে পাচারকারী স্বপনকে গ্রেপ্তার করে। ২৩ মার্চ ভারতীয় এক যুবকের সহায়তায় পাচার হয়ে যাওয়া তরুণী সীমান্ত পেরিয়ে নিজ বাড়ি কলারোয়ার সুলতানপুর গ্রামে চলে আসে। পরে ওই তরুণী কলারোয়া থানায় এসে ১৬১ ধারায় থানা পুলিশের কাছে তার জবানবন্দি প্রদান করে। কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সিকদার আক্কাস আলী জানান, গ্রেপ্তারকৃত স্বপন পাচারের কথা স্বীকার করেছে। তবে কোন্ প্রক্রিয়ায় পাচারের শিকার ওই তরুণী দেশে ফিরে এসেছে তা তিনি জানেন না। তার ধারণা,পাচারকারী স্বপনের সহযোগীরা ওই তরুণীকে দেশে ফিরে আসতে সহায়তা করেছে। পাচারের সাথে আর কারা কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
