কলঙ্ক ছিল আঁচলে। আঁচলটি উড়ে উড়ে যাচ্ছিল হেমন্তে। হেমন্তে শুয়ে থাকে ঘুম। ঘুমের গহ্বর পেরিয়ে আমরা ধাবমান ট্রেনের মতো বেগবান হই। হই এবং পেরিয়ে যাই খেলার মাঠ, কাঁধে নদীর ঢেউ। ঢেউগুলো বিষণ্ন। বিষণ্ন আমাদের দরজা। দরজার দূরত্ব মাপতে মাপতে হারিয়ে ফেলেছি উঁইপোকা। উঁইপোকারা হারিয়েছে ঋষিকে। ঋষি একটু আগে আমাদেরকে পাঠ করিয়েছেন উড়ে যাবার শপথ। শপথশেষে ক্রমশ বাড়ছে চিলেকোঠার ঘুম, বাড়ছে সুর ও স্বরের ব্যবধান।
