একবার ভোলানাথ নতুন গাড়ি কিনে নিজে চালিয়ে অফিসে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় সিগন্যাল বাতি জ্বলে ওঠায় গাড়িতে বসে অপেক্ষা করছিলেন ভোলানাথ। এ সময় ভোলানাথ ট্রাফিক পুলিশকে বললেন, ‘আচ্ছা মশাই, এ মুহূর্তে ডান দিকে যেতে হলে আপনাকে কত টাকা দিতে হবে?’ ট্রাফিক পুলিশ রেগে বললেন, ‘আপনি তো আচ্ছা লোক হে! আমাকে টাকার কথা বলছেন কেন? একদম জেলে পুরে রাখব কিন্তু।’ ভোলানাথ ট্রাফিক পুলিশকে একটি সাইনবোর্ড দেখিয়ে বললেন, ‘আমার কী দোষ, সাইনবোর্ডে তো আপনারাই লিখেছেন? ‘ফ্রি লেফট টার্ন’। তা আমি তো সেজন্যই ভাবলাম যে বাঁয়ে যাওয়া যদি ফ্রি হয় তাহলে ডানে যেতে নিশ্চয়ই টাকা লাগবে!’
এক ভাড়াটিয়া তার বাড়িওয়ালা সর্দারকে ফোন করেছেন—তার বাসার কলবেলটা নষ্ট। সর্দার যেন জরুরি ভিত্তিতে এসে সেটা ঠিক করে দেন। একদিন যায়, দুদিন যায়। পুরো চার দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও সর্দারের কোনো নামগন্ধ না পেয়ে ভাড়াটিয়া এবার রেগেমেগে সর্দারকে আবার ফোন করলেন।
ভাড়াটিয়া :আপনাকে না চার দিন আগে বলেছি, বাসার কলবেলটা নষ্ট। আপনার তো দেখাই পাচ্ছি না।
সর্দার :কী যে বলেন। আমি গিয়েছিলাম ঠিকই। কিন্তু অনেকক্ষণ বাসার কলবেল চেপে কারও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে শেষে ফিরে এসেছি।
সদ্য বিয়ে করেছে সান্তা সিং। বউয়ের সঙ্গে কথা হচ্ছে—
সান্তা :আমার তো নুন আনতে পান্তা ফুরায়, এই গরিবের সংসারে চলতে তোমার সমস্যা হবে না তো?
সান্তার স্ত্রী :না, আমার আর কী সমস্যা! চিন্তা করছি তোমাকে নিয়ে।
সান্তা :কিসের চিন্তা?
সান্তার স্ত্রী :আমি না হয় বেঁচেবর্তে থাকলাম, তোমার চলবে কী করে!
