কক্সবাজারে আদালতপাড়ায় ঘুষ দাবী নিয়ে আইনজীবীর সাথে হাতাহাতি করায় এক পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে রাখে আদালত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য হাবিবুর রহমান গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ৩ আসামির পক্ষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু ওই আবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ কনস্টেবল ইসহাক ৫শ’ টাকার ঘুষ দাবি করেন। আইনজীবী ১শ’ টাকা দিলে ওই পুলিশ কনস্টেল আইনজীবীর সাথে হাতাহাতিতে লিপ্ত হন। এই ঘটনায় বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা ঘটনাটি বিচারকের নজরে এনে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুললে ওই পুলিশ কনস্টেবলকে আদালতের আদেশে আটক করে প্রায় ১ ঘন্টা কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
কক্সবাজারে আটক আইনজীবীদের মুক্তি দাবি
কক্সবাজার প্রতিনিধি জানান, কক্সবাজারে পুলিশের হাতে আটক আইনজীবী আব্দুল মন্নান ও আমির হোসেনের অবিলম্বে ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেছে ১৮ দলীয় জোটের কক্সবাজারের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। বুধবার সন্ধ্যায় এক যুক্ত বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানান। বিএনপি কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার জেলা শাখার আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান, সেক্রেটারী জেনারেল জি.এম রহিমউল্ল¬াহ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলামী সভাপতি হাফেজ ছালামত উল্ল¬াহ, সাধারণ সম্পাদক মৌলানা ইয়াছিন হাবিব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ সভাপতি মৌলানা নূরুল আলম আল-মামুন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক সরওয়ার কামাল মঞ্জু, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এল.ডি.পির সভাপতি ছালামত উল্ল¬াহ খান, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির সভাপতি আর. এ. এম. ইসমাইল ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ তৌহিদুল্ল¬াহ চৌধুরী, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এন.পি.পি সভাপতি মোহাম্মদ ইফতেখার উদ্দিন শিবলী, সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল আলম।
উক্ত যৌথ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, পুলিশ একদিকে নির্বিচারে গণহত্যা চালাচ্ছে, অন্যদিকে নির্যাতিত ব্যক্তিদের পক্ষে আইনগত সহায়তাদানকারী আইনজীবীদের গণহারে গ্রেফতার করছে।
