ভোলায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০১৩, ২২:৪২
গতকাল বৃহস্পতিবার হরতাল চলাকালে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দিনব্যাপী দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ, ভাংচুর ও গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়। পুলিশ পারভেজ নামে একজনকে আটক করেছে। ঘটনার পর ভোলা পৌরসভার মেয়র মনিরুজ্জামান মনির ভোলা প্রেসক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, দুই গ্রুপের সংঘর্ষ থামাতে গেলে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ শাহিন পরিকল্পিতভাবে তাকে লক্ষ্য করে ৫ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। অল্পের জন্য তিনি প্রাণে বেঁচে যান। তিনি জানান, এ ঘটনায় মোস্তাক শাহিনসহ ১০ জনকে আসামি করে তিনি ভোলা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মোস্তাক শাহিনকে গ্রেফতার করা না হলে ভোলা পৌরসভার সকল সেবামূলক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হবে। মেয়রের উপর হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে ভোলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে সংঘর্ষের ছবি তোলাকে কেন্দ করে হামলাকারী একটি গ্রুপ এনটিভি প্রতিনিধি আফজাল হোসেনকে লাঞ্ছিত করে। অপর দিকে মোস্তাক আহমেদ শাহিন গুলি করার কথা অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, মেয়রের উপস্থিতিতে স্বপনের ক্যাডাররা তাদের উপর হামলা করেছে। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। মোস্তাক শাহিনের উপর হামলার ঘটনায় মেয়রের বিরুদ্ধেও উকিল পাড়ায় বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। ভোলা থানার ওসি মো: মজিবুল হক বিকালে জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় কোন মামলা হয়নি।