যারা হরতাল ডাকে তারা সন্ত্রাসের নেতা :অর্থমন্ত্রী

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০১৩, ২২:৪৪
যারা হরতাল ডাকে তাদের ‘সন্ত্রাসের নেতা’ বলে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেন, হরতাল অত্যন্ত অজনপ্রিয়। হরতাল ডেকে সন্ত্রাস করা হয়, ভয়-ভীতি দেখিয়ে বলা হয় হরতাল হয়েছে। জনগণকে হরতালকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিনিয়োগ বোর্ড আয়োজিত শিল্পায়নের প্রসারে শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিনিয়োগ বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. এস এ সামাদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুত্ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীরবিক্রম। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ শাহাবউদ্দীন। অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সাল নাগাদ সম্পূরক শুল্ক পুরোপুরি তুলে নেয়া হবে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণমূলক ট্যারিফ থাকবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুত্ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী শুল্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়গুলো ট্যারিফ কমিশনের মাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী যখন বাংলাদেশের অগ্রগতি সমাদৃত হচ্ছে তখন হরতালের মতো আত্মঘাতী কর্মসূচি দেয়া হচ্ছে। ট্যারিফ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান বলেন, শুল্ক কাঠামোর পুনর্বিন্যাসে সমন্বিত ভাবে কাজ করার জন্য সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে এক সাথে কাজ করতে হবে। পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম বলেন, ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী বিভিন্ন খাতে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করছে বিনিয়োগ বোর্ড। সভাপতির বক্তব্যে ড. এস এ সামাদ বলেন, অন্যান্য দেশে রাজনীতির সাথে অর্থনীতির বিষয়গুলোকে মুক্ত রাখা হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এ ধরনের বিষয়গুলো অনুপস্থিত। বাংলাদেশের ট্যারিফ কমিশনকে যথাযথ ভাবে কাজ করতে দেয়া হয় না বলে তিনি অভিযোগ করেন।