প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০১৩, ২২:৪৪
গত ২৩ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাকে ‘মির্জাপুরে প্রাইমারী স্কুলে ৩৭ জন কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতি, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের অপসারণ দাবি’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করা হয়েছে। মির্জাপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: মঈনুল হোসেন স্বাক্ষরিত প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, মির্জাপুর উপজেলায় দপ্তরী নিয়োগে কোনরকম অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়নি এবং এর সঙ্গে নীতিমালা অনুসারে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের সম্পৃক্ততার সুযোগ নেই। সুতরাং উক্ত সংবাদে প্রকাশিত টাকা লেনদেনের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এছাড়া কাঠালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এম, এ, হামিদ, দেওহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম খান এবং বুধিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: মঞ্জুর কাদের স্বাক্ষরিত পৃথক প্রতিবাদপত্রে বলা হয়, পত্রিকার প্রতিবেদনে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী হিসাবে তাদের নাম দেয়া হয়েছে, অথচ তারা এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। তারা কেউই উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে কোনরকম অভিযোগ করেননি।