ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সারুটিয়া গ্রামে ৬টি বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। ভাংচুর করা হয় আরো ১০টি বাড়ি। এসময় আহত হয় ৩ ব্যক্তি। গ্রামটিতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই সহিংসতার বিষয়ে উপ-নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান মাহামুদুল হাসান মামুন ও অপর আওয়ামী লীগ সমর্থিত পরাজিত প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুলফিকার কায়ছার টিপু একে অপরকে দায়ী করেছে।
শৈলকুপা থানার ওসি সৈয়দ আব্দুল বারী জানান, সারুটিয়া ইউনিয়নের উপ-নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। তবে ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে একাধিক গ্রুপ থাকায় কিছু কিছু স্থানে উত্তেজনা ও সহিংসতা দেখা দেয়। এ সময় সারুটিয়া গ্রামের জান্না নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। আগুনে তার ৫টি ঘর ভস্মীভূত এবং গৃহপালিত পশুপাখিও পুড়ে ছাই হয়। জান্নার অভিযোগ- সে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী মামুনের সমর্থক হওয়ায় এলাকার বিএনপি কর্মীরা তার বাড়িতে আগুন দিয়েছে। এছাড়া একই গ্রামের আমিরুল, মনোয়ার, জলিল, নজরুল ও শহিদুলের বাড়িসহ ১০টি বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। বাড়িঘরে আগুন দেয়ার অভিযোগ সম্পর্কে পরাজিত প্রার্থী জুলফিকার কায়সার টিপু বলেন, সারুটিয়া গ্রামে আমার কর্মী সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করার জন্য নিজেরাই নিজেদের ঘরে আগুন দিয়েছে এবং ভাংচুর করেছে।
মামুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে ৪১৩ ভোটের ব্যবধানে মাহমুদুল হাসান মামুন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। শৈলকুপা উপজেলা নির্বাচন অফিসার সহিদুর রহমান জানান, ৮ হাজার ৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন মামুন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জুলফিকার কায়ছার টিপু পেয়েছেন ৭ হাজার ৬২৫ ভোট।
তালায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
তালা (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা
সাতক্ষীরার তালায় আশরাফুল ইসলাম (৩৫) নামের এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। তিনি উপজেলার পুটিয়াখালী গ্রামের মৃতঃ ওয়াদুদ মোড়লের পুত্র। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার রাড়িপাড়া গ্রামে উক্ত ঘটনা ঘটে। এসময় সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হয় তার সঙ্গী ছাত্রলীগের তালা উপজেলা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক যুগিপুকুরিয়া গ্রামের আয়নাল বিশ্বাসের পুত্র আনোয়ার হোসেন (৩৪) এবং জুজখোলা গ্রামের আক্তারুল ইসলামের স্ত্রী রাফিজা খাতুন (৪৩)। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
