চৌমুহনী পৌরসভার খাতাপত্রে প্রথম শ্রেণীর এ ক্যাটাগরির একটি শিশুপার্ক রয়েছে এবং প্রতি বছর বাজেটে পার্ক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বরাদ্দও থাকে। বাস্তবে স্থানটিতে ময়লা আবর্জনা ছাড়া কিছু নেই।
জানা যায়, গত ১৯৮০’র দশকের মাঝামাঝি সময়ে চৌমুহনী শহরের গোলাবাড়িয়া দীঘির (বিশালাকার জলাশয়) উত্তর পাশে পৌরসভার উদ্যোগে শিশুপার্কটি নির্মিত হয়। ঐ সময় স্লিপার, দোলনাসহ শিশুপার্কের প্রয়োজনীয় প্রায় সব কিছুই স্থাপন করা হয়। এতে পৌরবাসী শিশুদেরকে নিয়ে স্বল্পসময়ের জন্য হলেও আনন্দে সময় কাটাতে পারতো। কিন্তু কয়েক বছর পর থেকেই রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পার্কের দোলনা, স্লিপারসহ বিভিন্ন জিনিস চুরি হতে থাকে। এদিকে দীঘির উত্তরপাড়ে ভাঙ্গন শুরুহলেও পৌরসভা এদিকে নজর দেয়নি। কয়েক বছরে পার্কের অর্ধেকের বেশি পানিতে নিমজ্জিত হয়ে যায়। বেশ কয়েক বছর ধরে শিশুপার্কে কিছুই নেই। আছে শুধু ময়লা, আবর্জনা ও দুর্গন্ধময় বাতাস। পৌর কর্তৃপক্ষের এদিকে নজর নেই। অথচ প্রতিবছর পৌর বাজেটে শিশুপার্ক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অর্থ বরাদ্দও রাখা হচ্ছে।
এদিকে শিশুপার্কের ভূমি, একটি প্রভাবশালী চক্র দখলের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন। পৌর কর্তৃপক্ষ পার্কটি পুনর্নিমাণে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এ ব্যাপারে চৌমুহনী পৌরসভার মেয়রের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, শিশুপার্কের বিষয়ে নজর দেয়া হবে।
