মোহামেডান আবাহনীর শিরোপা লড়াই আজ

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০১৩, ২১:২৭
মোহামেডান ও আবাহনীর খেলা মানেই একটা বাড়তি উত্তেজনা, সেটা ফুটবল, ক্রিকেট কিংবা অন্য যে খেলাই হোক না কেন। সঙ্গত কারণেই থাকবে বাড়তি চাপও। আজ শনিবার অনুষ্ঠেয় ওয়ালটন মহানগরী মহিলা ফুটবল লিগের ফাইনালেও এর ব্যতিক্রম হচ্ছে না। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এ ফাইনালটি শুরু হবে বিকাল পৌনে চারটায়। বিটিভি ওয়ার্ল্ড সরাসরি খেলাটি সমপ্রচার করবে। ফাইনালের চেয়ে বড় কথা, এটা মোহামেডান আবাহনী ম্যাচ। মহিলা খেলোয়াড়দের মুখেও বড় খেলোয়াড়দের মতোই শোনাল কথা- এটা বড় ম্যাচ অনেক কিছুই ঘটতে পারে। এক দিকে যেমন শিরোপা লড়াই। আরেক দিকে এটি দুই দলের জন্যই মর্যাদার লড়াই। মোহামেডান এ প্রতিযোগিতার বর্তমান রানার্সআপ। গতবারের চ্যাম্পিয়ন শেখ জামাল এবার অংশগ্রহণ করেনি। অন্য দিকে গতবার এই লিগে খেলেনি আবাহনী। এবার তারা এসেই ফাইনালের টিকিট নিয়ে মোহামেডানের মুখোমুখি হলো। আজকের ফাইনালে দুই দলের হয়ে যারা নজর কাড়বেন আবাহনীর জাতীয় দলের স্ট্রাইকার অম্রাচিং মারমা গোলকিপার সাবিনা আক্তার, ইতি, খালেদা, মুনমুন, সুরাইয়া এবং মোহামেডানের শান্ত, সাবিনা, বেলি, তৃষ্ণা। বিশেষ করে স্ট্রাইকার মোহামেডানের সাবিনা ও আবাহনীর অম্রাচিং মারমা। আবাহনীর কোচ নুরুজ্জামান জানিয়েছেন দল নিয়ে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত তিনি। মহিলা ফুটবলে মোহামেডানের কোচ জাতীয় দলের সাবেক তারকা আলফাজ আহমেদ। এখনও মোহামেডানে খেলছেন। এরই মধ্যে তাকে মহিলা দলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দলকে ফাইনালে তুলে তিনিও উত্তেজনায় ভুগছেন। মহিলা লিগে সাতটি দল লড়াই করে দুই গ্রুপে। এর মধ্যে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া মোহামেডান আবাহনী প্রতিপক্ষ দলগুলোকে রীতিমত নাকানি চুবানি খাইয়েই শিরোপা লড়াইয়ে যোগ দেয়। প্রতি ম্যাচেই তারা বড় ব্যবধানে জিতেছে। ক গ্রুপ থেকে দিপালী যুব সংঘ নাম প্রত্যাহার করায় মোহামেডানকে এক ম্যাচ কম খেলতে হয়েছিল। গ্রুপ পর্যায়ে মোহামেডান ১৬-০ গোলে আরামবাগকে, ১৪-০ গোলে যাত্রাবাড়ী ক্রীড়া চক্রকে, সেমিফাইনালে ১৫-০ গোলে ফেনীর সকার ক্লাবকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে। খ গ্রুপে আবাহনী ২৮-০ গোলে যাত্রাবাড়ীর নাসরিন স্পোর্টসকে, ১৮-০ গোলে পুলিশকে, ১০-০ গোলে সকার ক্লাবকে এবং সেমিফাইনালে ৬-০ গোলে আরামবাগকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে। ফাইনাল ছাড়াই এবারের টুর্নামেন্টে মোট ১২৫ গোল হয়েছে। এর মধ্যে আবাহনীর গোল ৬২ এবং মোহামেডানের ৪৫। দুই দলে রয়েছে জাতীয় দলের দুই তারকা স্ট্রাইকার। মোহামেডানের সাবিনা এবং আবাহনীর অম্রাচিং মারমা। উভয়েই গোল করেছেন ২৮টি করে। আজকের ফাইনালে তাদের গোলের বন্যা বইবে কিনা সেটা দেখার অপেক্ষায় আছে ফুটবলামোদীরা।