রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে শহীদ রুমী স্কোয়াডের আমরণ অনশন অব্যাহত রয়েছে। দাবি আদায় করে ঘরে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ১৭ তরুণ।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীতে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অনশনের চতুর্থদিন পার করেছেন অনশনরতরা। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় শহীদ রুমী স্কোয়াডের উদ্যোগে এ অনশন শুরু হয়। মঙ্গলবার রাতে অনশন শুরু করেন স্কোয়াডের সমন্বয়ক সাদাত হোসেন নিলয়, মেহেদী হাসান শুভ্র, কার্জন আকাশ, শরীফুল আনন্দ, রুবায়েত আদনান দীপ, নাজমুল আলম হীরা, মানিক সূত্র। ঐ সাতজনের সাথে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত যোগ দিয়েছেন আরো দশজন। আন্দোলন সম্পর্কে সাদাত হোসেন নিলয় বলেন, ২৬ তারিখ পর্যন্ত জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের আলটিমেটাম ছিল, কিন্তু সরকার তা মানেনি। সেজন্য আজ আমরা নিরুপায়। জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেই ঘরে ফিরবো।
গতকাল অনশনরত তরুণদের কেউ ল্যাপটপ ব্যবহার, কেউ বই পড়ে আবার কেউ শুয়ে-বসে এবং অন্যদের সাথে কথা বলে দিন পার করেছেন। বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি অনশনে এসে সংহতি জানালেও সরকার বা প্রশাসনের কেউ গতকাল পর্যন্ত যোগাযোগ করেননি। দেশের বিভিন্নস্থানে এবং দেশের বাইরেও এ নিয়ে সাড়া পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সমন্বয়ক নিলয়। গতকাল শহীদ রুমীর ৬২তম জন্মবার্ষিকীতে রুমীকে নিয়ে অনশনস্থলে আলোচনা হয়। রুমীর স্মরণে বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় ৬২টি মোম প্রজ্জ্বলন করা হয়। মঙ্গলবার রাতে গণজাগরণ মঞ্চের মুক্তিযোদ্ধা-জনতা সমাবেশের শেষপর্বে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচিকে ‘নরম এবং আপসকামী কর্মসূচি’ আখ্যা দিয়ে শাহবাগ কেন্দ্রিক ১৯টি সংগঠন তাত্ক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে।
