রেজাউল করিম খান, নাটোর প্রতিনিধি
নাটোরের চারটি বেসরকারি কলেজে অনার্স কোর্স চালু হয়েছে। কিন্তু কলেজগুলোতে শিক্ষার্থী মেলেনি। ভর্তির দু’টি তারিখ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গতবছর নাটোরের সিংড়া উপজেলার বামিহাল কলেজ, গুরুদাসপুর উপজেলার শহীদ শামসুজ্জোহা কলেজ ও বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজে অনার্স কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি দেয়। চলতি বছর অনুমতি পায় নাটোর সদরের দিঘাপতিয়া এম কে কলেজ। গুরুদাসপুর কলেজে চারটি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয়েছে। চলতি বছর প্রাণীবিদ্যা বিভাগে ৫০ জনের মধ্যে একজনও ভর্তি হয়নি। ইসলামের ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হয়েছে মাত্র একজন। হিসাব বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়েছে ১১ জন। বনপাড়া মহিলা কলেজে মনোবিজ্ঞান বিভাগে ১০ ও ইসলামের ইতিহাস বিভাগে ১৫ জন ভর্তি হয়েছে। দিঘাপতিয়া কলেজে সমাজ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগে ১০০ জনের বিপরীতে ভর্তি হয়েছে ৭০ জন।
অনার্স কোর্সে ভর্তির জন্য ছাত্রছাত্রীদেরকে অনলাইনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে হয়। শিক্ষার্থীর পছন্দের একাধিক কলেজের নাম আবেদনে উল্লেখ করতে হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেখান থেকে কোন্ শিক্ষার্থী কোন্ কলেজে ভর্তি হবে তা জানিয়ে দেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীর প্রথম পছন্দ অথবা নিকটবর্তী কলেজে ভর্তির অনুমতি না দিয়ে অন্য জেলার কলেজে ভর্তির জন্য বলেছেন। এর ফলে অনেক শিক্ষার্থী দূরের কলেজে ভর্তি হতে চাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট অনেকে মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় কর্মকর্তার সাথে বিশেষ কলেজের আঁতাতের ফলেই এমনটি ঘটেছে। দিঘাপতিয়া এম কে কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক ও গুরুদাসপুর শহীদ শামসুজ্জোহা কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিম জানান, শিক্ষার্থীদের অনার্সে পড়ার আগ্রহ ও অধিকহারে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের কারণে অনার্স চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
