ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন প্রতিরোধের দাবীতে গতকাল শনিবার ৯ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ সিংড়িয়া গ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাঙন এলাকা থেকে উপজেলা সদর পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার ব্যাপী মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সমাবেশ করে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের মানুষ এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন নাগরিক কমিটির সভাপতি আলমগীর মিয়া, উদাখালী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাকী সরকার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ফুলছড়ি উপজেলা ডেপুটি কমান্ডার আব্দুস সাত্তার, মুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুস সামাদ, সমাজ সেবক শামসুজ্জোহা বাবলু, ব্যবসায়ী আব্দুল করিম, গাইবান্ধা সোনাইল বাঁধ পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সেক্রেটারী ডাঃ এম,এ মজিদ প্রধান, প্রভাষক শাহ আলম মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, ইউপি সদস্য শফিকুর রহমান রাজা প্রমুখ। বক্তারা দ্রুত রতনপুর হাজীর হাট থেকে কাতলামারী পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানান। বিগত বন্যার সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড নামমাত্র জিও ব্যাগ ফেলে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করলেও তা কাজে আসেনি। পরে বাঁধের ভাঙন অংশের পাশ দিয়ে বিকল্প বাঁধ তৈরি করে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দিলেও আগামী বর্ষা মৌসুমে ওই বাঁধসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ভেঙে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। জরুরীভাবে নদী ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আগামী বর্ষা মৌসুমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বিশাল অংশসহ বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এছাড়া ভাঙন হুমকিতে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবন, ১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩টি কলেজসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, জনবসতি ও হাজার একর ফসলি জমি।
