নওগাঁয় কালবৈশাখী শিশুসহ নিহত ২ আহত ৩০

আপডেট : ৩০ মার্চ ২০১৩, ২২:৪৯
নওগাঁর পত্নীতলা ও ধামুইরহাট উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ২০-২২টি গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে দু’জন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। ১০-১২ মিনিট স্থায়ী ঝড়ে আক্রান্ত এলাকার বিপুল সংখ্যক কাঁচা বাড়িঘর বিধ্বস্ত হওয়াসহ বহু গাছ-পালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। পত্নীতলা ও ধামুইরহাট উপজেলায় বিদ্যুত্ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়। ১০ থেকে ১২ মিনিট স্থায়ী কালবৈশাখী ঝড়ে পত্নীতলা উপজেলার ঘোষনগর, নজিপুর, পাটিচড়া ও পত্নীতলা সদর ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী ধামুইরহাট উপজেলার আড়ানগর ও ইসবপুর ইউনিয়নের বিপুল সংখ্যক কাঁচা বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয় এবং বহু গাছ-পালা ভেঙ্গে পড়ে। ঝড়ের সময় ঘরের টিন উড়ে এবং গাছের ডাল চাপা পড়ে পত্নীতলা উপজেলার চকশ্রীপুর গ্রামে মামুনুর রশীদ (৫০) নামের এক স্কুল শিক্ষক ও নগর গোলা গ্রামে হিমু (৯) নামের এক শিশু নিহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মধ্যে ধামুইরহাট উপজেলার আড়ানগর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।