বিশ্বজুড়ে শান্তির বাণী বহন করে চলেছেন জেনেভা প্রবাসী তরুণী শ্রেয়সী ঘোষ। খুব ছোটবেলা থেকেই স্কুলে থাকাকালীন কলকাতা থেকে শুরু করেন মানবাধিকার নিয়ে কাজ। প্রথম ইস্যু ছিল ‘ভায়োলেন্স এগেইনস্ট উইমেন’। এরপর ব্যাঙ্গালোড়ে থাকতে তার গ্র্যাজুয়েশন পর্ব শেষ হবার আগেই ডাক পড়ে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে। এরপর থেকেই ইউনেস্কো, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন, আইএলও-এর সাথে কাজ করছেন। গবেষণা করেছেন জেন্ডারভিত্তিক অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে। এছাড়াও ‘আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী উন্নয়ন’ বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন করেছেন, নির্মাণ করেছেন ডকুমেন্টরী। এতোসব কর্মব্যস্ততার মাঝেও বিশ্বময় শ্রেয়সী ঘোষ শান্তির বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন এক ভিন্ন ভাষায়। যেখানে তিনি বেছে নিয়েছেন তার কবিতা ও চিত্ররূপের ক্যানভাস। রবীন্দ্রনাথের গান তার কণ্ঠে। সেই অনুভবেই লেখেন কবিতা আর সেই কবিতার চিত্ররূপ আসে ক্যানভাসে। ‘পিস মোড’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক প্রকল্প নিয়ে শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তুলতে চান ২৭ বছর বয়সী এই স্বপ্নময়ী নারী। তিনি বিশ্বাস করেন প্রতিরোধ, প্রতিবাদ, কর্মযজ্ঞের পাশাপাশি কবিতা, চিত্রকলা ও গান দিয়ে বিশ্বে শান্তি আনা যায়। ইতিমধ্যেই ফ্রান্স থেকে প্রকাশিত হয়েছে তার দুটো কাব্যগ্রন্থ ‘দ্য সাইনিক ডায়েরি ও মাই সোল অন প্লাটার’। চিত্রকলায় তিনি গ্লাস, এ্যাক্রিলিক, কার্ড বোর্ড, মিশ্র মাধ্যমে কাজ করেন। পটচিত্রও নিয়ে কাজ করছেন তিনি। যেখানে উঠে আসছে মানবতার গল্প, নারী জীবনের বর্ণময় উপাখ্যান। আন্তর্জাতিক পিস প্রজেক্টের অধীনে শান্তির বার্তা নিয়ে ছুটে চলেছেন শ্রেয়সী। রঙ-তুলি, কবিতার সাথে সখ্যতার পাশাপাশি লিখতেও ভালোবাসেন শ্রেয়সী। মানবতার বিষয় ছাড়াও তার লেখনিতে উঠে আসে চিত্রকলা। কবিতা, গান, চিত্রকলার সমন্বয়ে শ্রেয়সী ঘোষের পারফর্মিং আর্ট হয়ে ওঠে এক শান্তি ও সৌহার্দ্যের অনন্য প্রতীক, মানবিক আহ্বানের সুবার্তা।
