এই স ম য়ে আ লো চি ত

প্রাচুর্যে ভরা গোবি মরুভূমি

আপডেট : ৩১ মার্চ ২০১৩, ২০:৫১
মঙ্গোলিয়ার গোবি মরুভূমির নিচে করেছে অফুরন্ত সোনা, রুপা আর কপার। এই বিপুল সম্পদকে কিভাবে কাজে লাগাবে তাই এখন মঙ্গোলিয়ার জন্য অগ্নিপরীক্ষা। গোবি মরুভূীমর ‘আয়ু টলগি’ পাহাড়ের নিচে বিপুল সোনা-রুপার সন্ধান পান সামান্দ সাননর্জ। তাকে বলা যায় চেঙ্গিস খানের পর সবচেয়ে প্রভাবশালী মঙ্গোলিয়ান। আর দশটা বেদুইন বালকের মতো তারও শৈশব কেটেছে তাঁবুতে। মেধাবী সানদর্জ স্কুল পেরিয়ে এক সময় রাশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে জিওফিজিকস এর ওপর পড়া লেখা করেন। ’৯০ এর দশকে একটি আন্তর্জাতিক মাইনিং কোম্পানির হয়ে তিনি যান গোবি মরুভূমিতে খনিজ সম্পদের সন্ধানে। ‘আয়ু টলগি’ বা ‘টারকুজি হিলে’ এর আগেও কয়েকটি রাশিয়ান ও পশ্চিমা কোম্পানি অনুসন্ধান চালায়। খনির রিজার্ভ পর্যালোচনা করে তাদের মন্তব্য ছিল সেখান থেকে সোনা-রুপা উত্তোলনে অনেক খরচ পড়বে সে অনুপাতে লাভ হবে না। সানদর্জির টিমের আবিষ্কার তাদের কল্পনাকেও হার মানালো। ধারণা করা হচ্ছে মঙ্গোলিয়ার এই খনিতে মজুদ সোনা, রুপা ও কপারের পরিমাণ পৃথিবীর অনুত্তোলিত খনিগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। এই খনি থেকে প্রতিবছর আয় হবে ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা চলবে আগামী ৪০-৫০ বছর। এই খনির সোনা, রুপা, কপারের দাম দিনকে দিন বাড়বেই। তবে প্রশ্ন থেকে যায় মঙ্গোলিয়ার সরকার দেশের সব মানুষের কাছে সানদর্জের এই আবিষ্কারের সুফল পৌঁছে দিতে পারবে তো?