দর্শনা কেরু চিনিকলের এমডিকে হত্যা প্রচেষ্টায় অভিযোগে মিলের শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতিসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৩০ জনকে আসামি করে দামুড়হুদা থানায় মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ শনিবার রাতেই ৬ জনকে আটক করেছে। দামুড়হুদা থানা পুলিশ জানায়, দর্শনা কেরু চিনিকলের এমডিকে হত্যা প্রচেষ্টার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পুত্র এজাহারভুক্ত আসামি সৌমিক হাসান রুপমকে ঝিনাইদহ থেকে এবং সরোজগঞ্জ থেকে সন্দেহভাজন জিল্লুর রহমান, ইমরান, মিলন, জুলফিকার সোহাগ ও সাফায়াতকে আটক করেছে। এদিকে এমডি হত্যা প্রচে্ষ্টা ঘটনায় মিলের কর্মকর্তারা রবিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি, কালোব্যাজ ধারণ ও শহরে মৌনমিছিল করেছে। রবিবার সকাল ১০টায় শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের জরুরি সাধারণ সভা করার কথা থাকলেও গ্রেফতার ভয়ে ইউনিয়ন সভাপতি আজিজুল হক উপস্থিত না হওয়ায় সভা স্থগিত করা হয়েছে। এদিকে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী আলী আজগার টগর রক্তাক্ত জখম মিলের এমডি শ্রী সুদর্শন মল্লিককে তার বাসভবনে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের জানায়, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দরকার। মিলের শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম প্রিন্স জানায়, ঘটনাটি যারা ঘটিয়েছে একান্তই তাদের কোনো ব্যক্তিগত ঘটনা হতে পারে, মামলা হয়েছে, তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য গত শনিবার মিলের স্পিরিট বিক্রয় কেন্দ শ্রীমঙ্গল অফিসের একজন কর্মচারীকে বদলির আদেশ দেয়া হলে চিনিকলের বর্তমান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আজিজুল হক ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমানের সমর্থকরা মিল এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে এমডির চেম্বার ঘেরাও করে। ওইদিন বেলা ৯ টায় এমডির অফিস কক্ষের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে এমডিসহ ৩ জনকে মারপিট করে। এমডি সুদর্শন মল্লিক সাংবাদিকদের জানান, নিয়মানুযায়ী একজন কর্মচারীকে বদলি করা হলে কতিপয় সুবিধাভোগী শ্রমিক নেতাদের ভুল তথ্য দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে।
