‘ধরব না আর জাটকা, ইলিশ খাব টাটকা’। এমন স্লোগান লেখা পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে শরীয়তপুরের বিভিন্ন হাট-বাজার। মত্স্য অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন জাটকা না ধরার জন্য এমন আহবান জানিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। তারপরও অবাধে চলছে জাটকা আহরণ, পরিবহন ও বিপণন। শরীয়তপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীর তীরে ২০ স্থানে চলছে জাটকা বিক্রি। ৬ মাস জাটকা না ধরার জন্য জেলেদের যে পুনর্বাসন সহায়তা দেয়া হচ্ছে তা অপর্যাপ্ত বলে জানিয়েছে জেলেরা। ১ ফেব্রুয়ারি হতে ৩১ মে পর্যন্ত নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর হতে ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাঁচিকাটা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার পদ্মা নদীতে ইলিশের অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু রাতের আঁধারে শত শত জেলে মাছ আহরণ করছে।
অবাধে জাটকা বিক্রি করা হচ্ছে পদ্মা ও মেঘনা নদীর তীরবর্তী গোসাইরহাট উপজেলার জালালপুর, কোদালপুর, কুচাইপট্টি, চরজানপুর, ভেদরগঞ্জ উপজেলার নরসিংহপুর, তারাবুনিয়া, স্টেশন বাজার, চেয়ারম্যান স্টেশন বাজার, চরবাঘা, কাঁচিকাটা, দুলালচর, নড়িয়া উপজেলার ওয়াপদা, সুরেশ্বর, চন্ডিপুর, চরআত্রা, নওপাড়া, জাজিরা উপজেলার নাওডোবা, পালেরচর, মঙ্গল মাঝি লঞ্চঘাট, কাইজারচর বাজারে। বিভিন্ন স্থানের পাইকারি মাছ বিক্রেতারা এসব স্থান থেকে কম মূল্যে জাটকা ক্রয় করে। শরীয়তপুরের পদ্মা ও মেঘনা নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোতে ১৫ হাজার জেলে পরিবারের বসবাস। এর মধ্যে ১১ হাজার ৮৫ পরিবারকে ফেব্রুয়ারি মাস হতে পুনর্বাসন সহায়তা দেয়া হচ্ছে। তাদের প্রত্যেক পরিবারকে মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হচ্ছে। শরীয়তপুর জেলা মত্স্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাকসুদুর রহমান বলেন, জেলেদের পুনর্বাসন সহায়তা দেয়া হচ্ছে। হাট-বাজারে অভিযান চালিয়ে আইন অমান্যকারীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
