চার মাস বেতন পাচ্ছেন না শালিখার ২শ’ শিক্ষক

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০১৩, ২১:১৮
বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ ঘোষণা দেয়ার পর থেকে শালিখা উপজেলার ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২শ’ শিক্ষক গত ডিসেম্বর মাস থেকে বেতন ভাতা পাচ্ছেন না। পরিপত্র অনুযায়ী নিবন্ধিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা কমিটির কাছে পাঠানোর নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এসব কাগজপত্র তৈরিতে ৩ মাস সময় পার হয়ে গেলেও উপজেলা কমিটি এখনও পর্যন্ত সকল কাগজপত্র প্রস্তুতের কাজ শেষ করতে পারেননি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান- কাগজপত্র জমাদানের সময় ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। সকল কাগজপত্র প্রস্তুত হয়ে গেছে। জমির খাজনা পরিশোধের রশিদ পেলেই তা সংযুক্ত করে কাগজপত্র জেলা কমিটিতে প্রেরণ করা হবে। বেসরকারি শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতি হারুন অর রশিদ বলেন- উপজেলা কমিটির পক্ষ থেকে সরকারের নামে দলিলকৃত জমির খাজনা আমাদেরকে পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। এক একটি বিদ্যালয়ের ভূমির খাজনা বাবদ ২৫-৩০ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। সরকারি পরিপত্রে এমন ধরনের কোন নির্দেশ না থাকা সত্ত্বেও শালিখা উপজেলা শিক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে এ টাকা জমা দিতে বলা হয়েছে। টাকা জমা না দিলে কোন কাগজপত্র প্রেরণ করা হবে না। তিনি বলেন- মাগুরা জেলার অন্যান্য ৩টি উপজেলার খাজনা পরিশোধের রশিদ ছাড়াই কাগজপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে অযৌক্তিকভাবে খাজনা পরিশোধের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।