রাঙ্গুনিয়ায় বোরো ধানে মাজরা পোকার আক্রমণ

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০১৩, ২১:১৯
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন বিলে রোপা বোরো ধানে মাজরা পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। পানি সেচ সংকটের কারণে রোপা ধানে পোকার আক্রমণ বেশি ঘটেছে বলে কৃষকের অভিযোগ। উপজেলার ৪০টি বিলে বোরো ধান মাজরা পোকায় খাচ্ছে। পোকার আক্রমণে বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে সবুজ রোপা। কীটনাশক ব্যবহার করে সুফল পাচ্ছে না কৃষক। কৃষি কর্তৃপক্ষ বলছেন, মাজরা পোকার আক্রমণ ব্যাপক ক্ষতিকর পর্যায়ের নয়। প্রতিরোধের জন্য পার্চিং ব্যবস্থা গ্রহণ করছে কৃষক। তাছাড়া এ বছর অনেকক্ষেত্রে সারিবদ্ধ রোপা দেয়া হয়েছে। যার কারণে পোকা দমনে পার্চিং ব্যবস্থায় সুফল পাচ্ছে কৃষক। কৃষকের অভিযোগ, বিদ্যুত্ সংযোগ প্রদানে গড়িমসির কারণে পাওয়ার পাম্প চালুতে বিলম্ব হয় সেচ স্কিমগুলোতে। তাই অনেকক্ষেত্রে উপযুক্ত সময়ের অনেক পরে বোরো ধানের চাষাবাদ করেছে কৃষক। রোপা দেয়ার পরও যথাসময়ে পর্যাপ্ত সেচের পানি সরবরাহ হচ্ছে না। ফলে ক্ষেত ফেটে চৌচির হচ্ছে। এতে মাজরা পোকার উপদ্রবের সুযোগ হয়েছে। এদিকে উত্পাদন খরচ বেশি হওয়ার কারণে এ বছর বোরো মৌসুমে চাষাবাদে আগ্রহ হারিয়েছে কৃষক। হাজার হাজার একর জমি অনবাদি। কৃষি অফিস কর্তৃক গৃহীত লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও অর্জিত হয়নি। গুমাই বিলের ৬ হাজার একর জমির দুই হাজার একরেও চাষবাদ হয়নি এ বছর। সার, কীটনাশক এবং কৃষি শ্রমিকের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে কৃষকের ব্যয় মেটে না। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকতারুজ্জামান বলেন, মাজরা পোকার আক্রমণ স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে। পোকা দমনের জন্য মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষিকর্মীরা কৃষকদের মধ্যে সতর্কতা অবলম্বন এবং পার্চিং ব্যবস্থার জন্য পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।