৩৩ শিবির নেতাকর্মীসহ পাঁচশ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৩৬
জামায়াত-শিবির কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে পুলিশের শিক্ষানবিশ উপ-পরিদর্শক (পিএসআই) মকবুল হোসেনের দুই হাতের কব্জি উড়ে যাবার ঘটনায় নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় রবিবার রাতে নগরীর উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ছাত্র শিবিরের ৩৩ নেতাকর্মীর নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো পাঁচশ জনকে আসামি করে মামলা করেন। উক্ত মামলায় ঘটনার পর আটক ৩৫ জনের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এরা হলেন নয়ন, বেলাল ও রয়েল। বোয়ালিয়া থানার ওসি জিয়াউর রহমান বলেন, অপর আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, গ্রেফতার তিন আসামিকে রিমাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। নবাঙ্কুরেই স্বপ্ন শেষ চার ভাইবোনের মধ্যে মকবুল হোসেন ছিলেন দ্বিতীয়। ছোট থেকে বাবা আনছার আলীকে পুলিশের পোশাকে দেখে মকবুল হোসেন পুলিশ হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। তার সেই স্বপ্ন পূরণও হয়েছিল। তবে একটি ককটেল বিস্ফোরণে তার সেই স্বপ্ন শেষ হতে চলেছে। সারদা পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ শেষে ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে মতিহার থানার উপ-পরিদর্শক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন শিক্ষানবিশ হিসেবে। অনেক কাজ শেখারও বাকি ছিল। কিন্তু ছাত্র শিবিরের ককটেল তার সকল স্বপ্ন শেষ করে দিলো। জানা যায়, আউটসাইড ক্যাডেট পুলিশের ৩৩তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন মকবুল। তার ক্যাডেট নম্বর ছিল ৩৮৩। প্রশিক্ষণকালীন নানা স্মৃতি ও অংশগ্রহণকারীদের অ্যালবাম নিয়ে সমাপনী কুচকাওয়াজের দিন প্রকাশ করা হয় স্মরণিকা ‘নবাঙ্কুর’। মকবুল পুলিশে নবাঙ্কুর হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। সময় পেলে অভিজ্ঞতায় নিজেকে সমৃদ্ধ করে দেশের সেবা করতে পারতেন। কিন্তু এখন তার চোখের সামনে শুধুই হতাশা।