বিকাল চারটা। ক্লাস শেষে বের হয়ে এলো একদল শিক্ষার্থী। প্রচণ্ড রোদে একাডেমিক ভবন থেকে বের হতে ইচ্ছা করছে না তাদের। একটু কাছে গিয়ে জানা গেল, তাদের ইচ্ছা আড্ডা দেয়া। এই অবসরে দোলনায় দোল খাচ্ছেন কেউ। কেউবা একাডেমিক ভবনের সিঁড়িতে বসে গল্পে মশগুল। দ্বীপা বলে উঠে, পড়ালেখার চাপে আড্ডা দেয়ার তেমন সময় পাওয়া যায় না। ওদের প্রতিদিনের গল্প অনেকটা এমনই। বলছিলাম চট্টগ্রামের প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কথা। চলমান সময়ে জাতীয় আন্তর্জাতিক ঘটনা প্রবাহ নিয়ে চলে টক শো ও তুমুল বিতর্ক।
ক্যাম্পাসে কোনো সুন্দরী মেয়ের প্রেমে পড়ার গল্প। ছ্যাকা খেয়ে নতুন কোনো বিষয় নিয়ে মেতে থাকে আড্ডাবাজরা। কেউ কেউ মেতে আছে ল্যাপটপ নিয়ে আর কেউ কেউ মেগাজিনের মধ্যে। এই ক্যাম্পাসকে ঘিরে কবিদের কবিতাও বাদ পড়েনি। আবেগী কবিরা তাদের কবিতার ঝুড়ি ছড়িয়ে দেন বেসুরের গায়। মজার মজার এসব কবিতার লাইনগুলো মিলে যায় জীবনের দর্শনের সাথে। এর মাঝে কানে এল গায়কদের গান- রেশমি চুরি হাতে এলোমেলো চুল, ক্লাস পলাতক মেয়ে করেছে ব্যাকুল, দুরু দুরু কাঁপে বুক যদি দেখি হায়, এভাবে কি কারো সাথে প্রেম করা যায়।
ভালো ফলাফল করে সুন্দর আগামীর লক্ষ্য এগিয়ে যাবার জন্য ওঁঁদের স্বপ্নের পথে যাত্রা। তাই ক্লাস-পরীক্ষার ফাঁকে ফাঁকে যতটুকু সময় পায় শিক্ষার্থীরা তা কাটে পড়াশুনা ও স্বপ্নপূরণের গল্প-আড্ডায়। তেমনি তাদের কয়েকজন হল সাইফুল, শাহাদাত, তৌফিক, জয়া, নাইমুল, দ্বীপা, রুবেল, মৌসুমী, সুমি, জেনিরা গল্প-আড্ডায় মেতে উঠে এক চিলতি আড্ডায়। বন্ধুরাও যার যার মতো আড্ডায় ব্যস্ত। কিন্তু এক ছেলের ছায়াসঙ্গী হয়ে আছে আরেক মেয়ে। সে কি শুধুই বন্ধু? কই, অন্য বন্ধুরা তো খবরও নিল না।
