২০২৫ সাল পর্যন্ত কর মওকুফ চায় পোল্ট্রি খাত

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০১৩, ১৯:০৫
আগামী ২০২৫ সাল পর্যন্ত পোল্ট্রি শিল্প খাত থেকে আয়ের কর মওকুফ চান এ খাতের উদ্যোক্তারা। তারা মনে করেন এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখা ও জনগণের আমিষের ঘাটতি মেটানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য এ উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। গতকাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রাক বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এ দাবি জানান বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মনজুর মোরশেদ খান। আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন। এছাড়া এ খাতের আমদানিযোগ্য সব উপাদানের উপর থেকে শুল্ক ও মূল্য সংযোজন করসহ (ভ্যাট) যাবতীয় কর প্রত্যাহার অব্যাহত রেখে আরো কিছু নতুন পণ্যকে শুল্ক ও ভ্যাটের আওতা থেকে অব্যাহতি দেয়া, দেশে প্রস্তুতকৃত পিলেটেড খাদ্যের আয়কর মওকুফ সুবিধা আবার বলবত্ করা (গত বাজেটে বাতিল করা হয়), দেশীয় শিল্প রক্ষায় এই খাদ্যের আমদানি শুল্ক বাড়ানো, ব্রিডার খামারির কৃত্রিম প্রজননের যন্ত্রপাতি আমদানিতে বিদ্যমান কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ এগ্রো ফুড প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) পক্ষ থেকে প্রক্রিয়াজাত কৃষি পণ্য খাতের বিদ্যমান সাড়ে ৩৭ শতাংশ কর্পোরেট কর প্রত্যাহার করা, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানের আমদানি পণ্যের অগ্রিম কর (এআইটি) বিদ্যমান ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা, দেশীয় ফলের জুসের উপর থেকে ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা, দেশীয় ডেইরি ফার্মের গুঁড়া দুধের উপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার, যে সকল কৃষি পণ্যে ট্যারিফ আছে সেগুলোর ভ্যাট প্রত্যাহার ও ভ্যাট থাকলে ট্যারিফ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়। আলোচনায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনবিআর সদস্য বশির উদ্দিন আহমেদ, ফরিদ উদ্দিন, প্রথম সচিব ইকবাল হোসেন, এ এফ এম আব্দুল্লাহ খান, প্রধান বাজেট সমন্বয়কারী আল আমিন প্রমাণিক, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক আব্দুল হক, বাপা’র সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ প্রমুখ।