ধামরাই হার্ডিঞ্জ হাই স্কুলের ১০ম শ্রেণির ছাত্র ‘বাঁধন’-এর দাফনকৃত লাশ গতকাল বুধবার উত্তোলন করা হয়েছে। বাঁধন ধামরাই উত্তরপাতা এলাকার মৃত আমিনুল খানের কনিষ্ঠ পুত্র। পারিবারিক সূত্রে প্রকাশ, গত ২৯ মার্চ সন্ধ্যার পর বাঁধন হঠাত্ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ইসলামপুর হাসপাতালে নেয়া হয়। কিছুক্ষণ পরে তাকে ঐ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিত্সার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়। পরামর্শমতো বাঁধনের স্বজনরা তাকে সাভার এনাম ক্লিনিকে ভর্তি করে।
কিছুক্ষণ চিকিত্সাধীন অবস্থায় থাকার পর বাঁধন মৃত্যুবরণ করে। বাঁধনের মৃত্যুকে তার স্বজনরা প্রথমে আত্মহত্যা মনে করলেও পরবর্তীতে তাদের মধ্যে সন্দেহের উদ্রেক হয়েছে। বাঁধনকে কেউ বিষ খাইয়ে হত্যা করতে পারে বলে ধারণা জন্মেছে তার স্বজনদের। বাঁধনের মৃত্যু নিয়ে গত ৩০ মার্চ রাতে ধামরাই থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ধামরাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস,এম আলমগীর হোসেন জানান, ‘অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
