মির্জাপুরে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ দিবস পালন

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৩, ২১:১৪
নানা আয়োজনে গতকাল বুধবার ৩ এপ্রিল মির্জাপুর উপজেলার সাটিয়াচড়া-গোড়ান মুক্তিযুদ্ধের ১ম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়েছে। ৪২ বছর আগে ১৯৭১ সালের এইদিনে পাক হানাদার বাহিনী ১ম প্রতিরোধ যুদ্ধের সম্মুখীন হয় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন সাটিয়াচড়া-গোড়ান গ্রামে। এই প্রতিরোধ যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাসহ ইপিআর, পুলিশ ও নরনারীসহ ৩ শতাধিক নারী-পুরুষ শহীদ হন। স্বাধীনতার ৪২ বছরেও রাজধানী ঢাকার বাইরে প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধের স্থান সাটিয়াচড়া-গোড়ান বদ্ধভূমিতে শহীদদের গণকবর সংরক্ষণ এবং তাদের স্মরণে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ এবং কোন স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়নি। স্মৃতি সংসদের সভাপতি গোলাম নওজব পাওয়ার চৌধুরীর সভাপতিত্বে গতকালের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুর হমান ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব একাব্বর হোসেন, গৃহায়ন সচিব ড. খোন্দকার শওকত হোসেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আকতার চৌধুরী, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার দুর্লভ বিশ্বাস, আওয়ামী লীগ নেতা তৌফিকুর রহমান তালুকদার রাজিব ও ইউপি চেয়ারম্যান আলী এজাজ খান চৌধুরী রুবেল প্রমুখ। উল্লেখ্য, ২ এপ্রিল মুক্তিপাগল জনতা ও মুক্তিযোদ্ধারা খবর পান পাকসেনারা গাড়িবহর নিয়ে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে আসছে। গোড়ান-সাটিয়াচড়া নামক স্থানে আসামাত্র চারদিক থেকে আক্রমণ শুরু হয়। এই প্রতিরোধ যুদ্ধে ৩ শতাধিক পাকবাহিনী হতাহত হয়। পাকসেনারা হেলিকপ্টারযোগে আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধা ইপিআর ও নারী-পুরুষকে হত্যা করে। জালিয়ে পুড়িয়ে দেয় শতশত ঘরবাড়ি।