নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় সোয়াইব নামে ৫ বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রকে হত্যায় ব্যবহূত ছুরি ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধারের ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ৬টি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর করেছে। এ সময় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক দেখা দেয়। বুধবার সকালে উপজেলার মঙ্গলেরগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, গত ১৮ ফেব্রুয়ারী নিজ বাড়ির সামনে থেকে সোয়াইবকে অপহরণ করে নিয়ে যায় পাশের বাড়ির কয়েকজন প্রতিবেশী। দুর্বৃত্তরা সোয়াইবাকে জবাই ও চোখ উপড়ে ফেলে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় ২২ ফেব্রুয়ারী গ্রেপ্তার হয় আবদুল খালেক ও নাসির। ওই সময়ে নাসিরকে ২দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
গত মঙ্গলবার নাসিরকে আবারো ২দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এ সময় নাসির পুলিশকে বেশ কিছু তথ্য দেয়। সে তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে উপজেলার মঙ্গলেরগাঁও এলাকায় মামলার আসামি ফজল মুন্সীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ রক্তমাখা কাপড় ও হত্যাকাজে ব্যবহূত একটি ছুরি উদ্ধার করে।
গ্রামের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। তারা সংঘবদ্ধ হয়ে ফজল মুন্সী, তার সহযোগী শিরিশ আলী, আলী আহম্মদসহ ৬ জনের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ৬টি ঘরে আগুন দেয় ও ভাংচুর করে। এ সময়ে ঘরের লোকজন পালিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন এসে আগুন নেভায়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে।
সোনারগাঁও থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
