বিসমিল্লাহ গ্রুপের দুর্নীতি

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের আরো ৫ কর্মকর্তাকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৩, ২২:১২
ইত্তেফাক রিপোর্ট বিসমিল্লাহ গ্রুপের দুর্নীতি অনুসন্ধানে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের আরো ৫ কর্মকর্তাকে গতকাল বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। দুদকের প্রধান কার্যালয়ে গতকাল সকাল ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত মোট তিন ঘণ্টা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার এবং সোমবার শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের আরো ১০ কর্মকর্তাকে দুদক জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এছাড়াও এ জালিয়াতির ঘটনায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে জনতা ব্যাংকের ১৬ কর্মকর্তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যাদের গতকাল জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন—ব্যাংকটির ইস্কাটন শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট গোলাম ওহাব, ভাইস প্রেসিডেন্ট জসিম উদ্দিন আহমেদ, সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট রফিকুল ইসলাম, প্রথম সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট মনির হোসাইন এবং এফইও নাজিরুল ইসলাম। দুদক সূত্র জানায়, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিসমিল্লাহ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নওরীন হাসিবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শীঘ্রই নোটিস পাঠাবে দুদক। দুদকের অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুদকের কাছে অভিযোগ আসে প্রাইম ব্যাংকের কাছ থেকে ৩৮০ কোটি টাকা, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ১৪৯ কোটি টাকা, প্রিমিয়ার ব্যাংকের প্রায় ৮০ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংকের প্রায় ৪শ কোটি টাকা, সাউথ-ইস্ট ব্যাংকের ২৭ কোটি টাকা ও যমুনা ব্যাংকের কাছ থেকে ১৬৪ কোটি টাকা ভুয়া প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে ঋণ নিয়ে বেনামে ঋণ চুক্তি করে বিসমিল্লাহ গ্রুপ। এ অভিযোগের ভিত্তিতে দুদক অনুসন্ধান চালিয়ে জানতে পেরেছে, বিসমিল্লাহ গ্রুপের মালিক জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যাংক থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ নেন। অথচ ওই ঋণের বিপরীতে বিদেশ থেকে কোনো পণ্য আমদানি করেনি। এ ঋণ জালিয়াতির সঙ্গে সন্দেহভাজনদের দুদকের অনুসন্ধানী দল জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।