বুদ্ধের মন চায়
ভাবনা ছাড়াই আজ বেড়ায় ঘুরে ...
কেউ যেন না ডাকে তাকে আর পেছন ফিরে।
কী নেবে তবে সাথে—বুদ্ধের মনের কোণে কথার হুড়োহুড়ি—
নেবে কী পোড়া কিছু একদা আপন আবাসের টিনের চাল!
না কি সুপারি গাছের বাকল আগুনে দগদগে।
আহ বড় মায়াময় একদিন... এই তো ছিল সে বৃক্ষ সবুজ—
আজ পোড়া ক্ষত নিয়ে কী করুণ বেঁচে।
তবে কি তাকেই নিয়ে যাবে সাথে সাগর সিনানে
যদি পোড়া ক্ষতের হয় কিছু উপশম!
নাহ থাক এই বাড়ানো মায়ায় আর কী হবে—
তবে কী শুধুই সাথে নেবে এই ছাইপোড়া স্মৃতি!
বুদ্ধ তাকায় নিজের পোড়া বুক আর নির্বাক হাতের দিকে—হাসে ম্লান...
কী উপায় ছুটে পালাই ছুটি চারদিকে কত শত কাজের শেকল ফেলে—
পেছনে তো ওই মানুষেরা... মানুষেরাই তো
ওই পোড়াঘর ছাড়া পাহাড়ের কোনো কোণে ডাকে...
আগুনের লেলিহান শিখায় তাদের আর্তনাদ বারবার পুড়ে।
বুদ্ধ শেষতক
উন্মাদ আগুনের লেলিহান
শিখার দিকেই ফিরে চলে।
