ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
জিকে প্রকল্পের সেচ খাল থেকে ব্যাপক পরিমাণ পানি চুরি হচ্ছে। এ পানি দিয়ে পুকুর ভরা চলছে। এতে ভাটিতে সেচ সংকট দেখা দিয়েছে। প্রকল্পের খালের পানি শুধু সেচ কাজে ব্যবহার করা যাবে। অন্য কাজে ব্যবহারের নিয়ম নেই।
প্রকল্পের প্রধান দুটি সেচ খালের পাশে পুকুর কেটে পানি চুরি করে ভরা হচ্ছে। এলাকার এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি এ কাজ করছে। শুষ্ক মৌসুমে বোরো চাষে এমনিতেই পানির ব্যাপক চাহিদা থাকে। প্রকল্পর কর্তৃপক্ষ রোটেশান করে পানি দিচ্ছে। তাও প্রয়োজনমত পানি সরবরাহ করতে পারছে না। অনেক স্থানে পানির অভাবে বোরো ক্ষেত ফেটে চৌচির হচ্ছে। তারপর পানি চুরি সেচ সংকট বাড়িয়ে তুলছে। চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার বেলগাছি ও ডাউকি ইউনিয়নে ব্যাপক পানি চুরি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে প্রধান সেচ খাল ঘেঁষে বিশাল বিশাল পুকুর কেটে মাছের চাষ করছে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতার ছেলে। তার দেখাদেখি আরো অনেকে এভাবে পুকুর কেটেছে। এ দু ইউনিয়নে প্রায় একশ’ পুকুর কাটা হয়েছে। খালের পাড়ের মাটির নিচে পাইপ বসিয়ে পানি চুরি চলছে।
ডাউকি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওলানা ইউসুফ আলি সাংবাদিকদের কাছে বলেছেন, কাজটি অবৈধ হলেও খালের পানি নিয়ে পুকুর ভরে মাছ চাষ বন্ধ করা যাচ্ছে না। আবার পুকুরের মালিকেরা বলছেন, তারা জিকে খাল থেকে পানি নেয়ার জন্য ইউনিয়ন পরিষদকে একর প্রতি বছরে ১১ হাজার টাকা করে কর দিচ্ছে।
জিকে প্রকল্পের পরিচালক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ওবায়দুর রহমান বলেন, লোকবলের অভাবে বর্তমানে খাল পাহারার লোক নেই। এ কারণে সেচ খাল থেকে পানি চুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না।
